দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুর সদর উপজেলায় রোকেয়া বেগম (৩৬) নামে এক নারীকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার প্রতিবেশী ভাতিজার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আরিফুল ইসলাম (২০) নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের চরসাপমারী কামারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রোকেয়া বেগম ওই এলাকার লাল মিয়ার স্ত্রী। তিনি তিন সন্তানের মা। গ্রেপ্তার আরিফুল ইসলাম একই এলাকার আমিনুল ইসলামের ছেলে এবং সম্পর্কে রোকেয়া বেগমের ভাসুরের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বুধবার বিকেলে বাড়ির উঠানে চেয়ারে বসে ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে দুধ খাওয়াচ্ছিলেন রোকেয়া। এ সময় হাতে ধারালো দা নিয়ে সেখানে যান আরিফুল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি রোকেয়ার ওপর হামলা চালান। এ সময় গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপ লাগে তার। ঘটনাস্থলেই রোকেয়ার মৃত্যু হয়।
হামলার পর রক্তমাখা পোশাক পরেই নিজের ঘরে চলে যান আরিফুল। সেখানে গোসল করে আত্মগোপনের চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খবর পেয়ে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে আরিফুলকে আটক করা হয়।
পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফুল হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘর থেকে রক্তমাখা একটি প্যান্ট উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আরিফুল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। তবে কী কারণে তিনি রোকেয়া বেগমের ওপর হামলা চালিয়েছেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ওসি খোকন চন্দ্র ঘোষ বুধবার রাত ৯টার দিকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে রোকেয়া বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
যে আই