দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নবম পে–স্কেল ঘোষণার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের ওপর পুলিশ দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আন্দোলনকারীরা এক পর্যায়ে যমুনা এলাকা ছেড়ে শাহবাগের দিকে সরে যেতে বাধ্য হন। এ ঘটনায় আহত হয়ে অন্তত ৩৫ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টার পর আন্দোলনকারীরা যমুনার সামনে থেকে সরে যান। এ সময় কয়েকজনকে আটকও করে পুলিশ।
এর আগে বেলা সোয়া ১১টার পর থেকে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিজিবি সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়।
এর আগে সকালে নবম পে–স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি চাকরিজীবীরা ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে যমুনার দিকে অগ্রসর হন তারা। বেলা ১১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার অভিমুখে এগিয়ে যান আন্দোলনকারীরা এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন।
আন্দোলনকারীরা বলেন, আজকের মধ্যেই নবম পে–স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে, অন্যথায় তারা বাড়ি ফিরবেন না। বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পে কমিশন গঠন হলেও এখনো গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় তারা এটিকে অবিচার বলে মনে করছেন।
এমএস/