দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিকল্প সড়ক না রেখে রাজধানীর উত্তরার উত্তরখান ও দক্ষিণখান এলাকার অধিকাংশ রাস্তার উন্নয়ন কাজ শুরু করলেও সড়ক খুড়ে দীর্ঘ দিন ধরে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে সামান্য বৃষ্টিতে ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও ড্রেনের ময়লা পানি সড়কে এসে জমা হওয়ায় ভোগান্তির শেষ নেই স্থানীয়দের। এমন পরিস্থিতিতে রাস্তার উন্নয়নকাজ দ্রুত শেষ না হলে উত্তর সিটি করপোরেশন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর দক্ষিণ খান বাজারে দক্ষিণখান ও উত্তরখান বাসীর আয়োজনে রাস্তার উন্নয়ন কাজ দ্রুত শেষ করা ও দুর্ভোগ নিরসনে মানববন্ধন আয়োজন করা হয়। এতে এলাকাবাসী তাদের বক্তব্যে নানা অভিযোগ ও ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন।
মানববন্ধনে দক্ষিণখান-উত্তরখান সচেতন নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক ইয়াছিন রানা বলেন, ২০১৬ সালে এই এলাকা ঢাকা উত্তর সিটির আওতায় আসার পর থেকে পরিপূর্ণরুপে উন্নয়ন কাজ বন্ধ ছিল। সিটি নির্বাচনের ছয় বছর পরে এসেও এখানের চিত্র বদলায়নি। বৃষ্টি হলেই পুরো এলাকা তলিয়ে যায়, হাঁটার মতো অবস্থা থাকে না। সড়ক খনন নীতিমালা না মেনে সব রাস্তা এক সঙ্গে খোঁড়ায় স্বাভাবিকভাবে মানুষ যাতায়াত করতে পারে না। অফিস করতে উত্তরা বা বিমানবন্দর যেতে রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়।
তিনি আরও বলেন, গত বুধবার ৯ অক্টোবর দক্ষিণখান বাজারে ঈদগাহ মাঠের সামনে একজন গর্ভবতী মহিলা হেঁটে ক্লিনিকে যাবার সময় রাস্তায় সন্তান প্রসব করেছেন। রোগীদের হাসপাতালে নিতে অ্যাম্বুলেন্স এই এলাকায় ঢোকার মতো রাস্তা নেই।
ইয়াছিন রানা বলেন, এই এলাকায় সিটি করপোরেশনের কেউ পরিদর্শনেও আসেন না। তারা উত্তরা, গুলশান, মিরপুরেই শুধু পরিদর্শন করেন। তাদের কাছে জানতে চাই, উত্তরা, গুলশানের বাসিন্দারা এ গ্রেডের নাগরিক আর দক্ষিণ খান উত্তরখানের বাসিন্দারা সি গ্রেডের নাগরিক হিসেবে কেনো তারা মূল্যায়ন করছেন তা স্পষ্ট করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- দারুল উলুম মাদরাসা মসজিদের খতিব গিয়াস উদ্দিন মাদানী, ফয়সাল হোসেন, বারিকুল ইসলাম শোভন, সাজ্জাদ হোসাইন, এহসানুল হক শোভন, মোক্তদির মুন, মামুন হোসেন জমিদার, জয়নাল আবেদিন অনিক, সাইদুল ইসলাম সুমন, মুফতি খায়রুল হোসেন, মুফতি মাসুদুর রহমান, সালাউদ্দিন, দক্ষিণ খান ও উত্তর খানের ব্যবসায়ীবৃন্দ।
আরএ