দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শিলাবৃষ্টির পর রাজধানীতে একদিনের ব্যবধানেই তাপমাত্রা কমেছে ৭ ডিগ্রি। একই সঙ্গে সারাদেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমেছে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। এর ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে স্বস্তি। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে এ অবস্থা থাকবে চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত।
এই এপ্রিল ছিল গত ৪৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শুষ্কতম। দেশের গড় বৃষ্টিপাত ছিল এক মিলিমিটার। এ বছর এপ্রিলে গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তীব্র তাপদাহে ধুকতে থাকা জনজীবনে দুদিনের বৃষ্টি এনে দিয়েছে প্রশান্তির ছোঁয়া। প্রাণ ফিরে পেয়েছে মানুষ থেকে প্রাণীকুল।
কারওয়ান বাজারের একজন রিকশাচালক বলেন, আগে ঘরে ফ্যানের বাতাসেও গরম লাগতো, বৃষ্টির পর এখন বাইরেও গরম কম, কাজ করে শান্তি পাচ্ছেন। তারই পাশের আরেক রিকশাওয়ালা বলেন,গরম নেই তাই কাজ বেশি আর ইনকামও। একই এলাকার এক ট্রাফিক সার্জেন্ট বললেন গরম নিবারণে আমাদের শহরে যতটুকু খোলা জায়গা আছে বৃক্ষ রোপণ করতে হবে, তাহলেই এই গরম থেকে মুক্তিলাভ করা সম্ভব। তবে আবহা্ওয়া অফিস বলছে আগামী সপ্তাহে বা মাসের মাঝামাঝিতে তাপপ্রবাহ আবারো বাড়তে পারে।
গত কয়েক বছরে বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন দেশের বহু মানুষ। এই কর্মকর্তার কাছে প্রশ্ন ছিল কিভাবে এই মৃত্যু মোকাবিলা করা যায়। তিনি বলেন, 'বজ্রপাত হওয়া মেঘগুলো সাধারণত ১ ঘণ্টারও কম সময় অবস্থান করে। তাই এই সময়ে বাইরে বা খোলা মাঠে কাজ করা যাবে না,হটাৎ বজ্রপাত শুরু হলে এবং আশপাশে কোনো ঘরবাড়ি না থাকলে বড় গাছের পাশে আশ্রয় নেয়া যেতে পারে তবে অবশ্যই গাছ থেকে ৪/৫ ফিট দুরে অবস্থান নিতে হবে'।
গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে রাজধানীতে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমেছে তাপমাত্রা। যার ফলে একদিনেই ৭ ডিগ্রি কমে এসেছে।
এফএইচ