দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারাতে হলে স্পেনকে নিজেদের শক্তিশালী মিডফিল্ডের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে বলে মনে করেন কিংবদন্তি কোচ পেপ গার্দিওলা। তার মতে, রদ্রি, পেদ্রি ও লামিন ইয়ামাল সেরা ছন্দে খেলতে পারলে ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারবে স্পেন।
সম্প্রতি ‘ওকেএক্স’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গার্দিওলা বলেন, বিশ্বকাপে তিনি কোনো নির্দিষ্ট দলের সমর্থক নন। বরং যেসব দলে তার পরিচিত বা প্রিয় ফুটবলাররা খেলেন, তাদের জন্যই সমর্থন জানান।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপে আমি কোনো নির্দিষ্ট দলকে সমর্থন করি না। যেসব দলে আমার পরিচিত বা প্রিয় খেলোয়াড়রা খেলেন, আমি তাদের জন্য উৎসাহ দিই।’
আর্জেন্টিনার প্রসঙ্গে গার্দিওলা বলেন, ‘আর্জেন্টিনা যদি বিশ্বকাপ জেতে, সেখানে এমন অনেক খেলোয়াড় আছে, যাদের আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি।’
তবে স্পেনের সম্ভাবনাকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন সাবেক বার্সেলোনা ও ম্যানচেস্টার সিটি কোচ। তার বিশ্বাস, রদ্রি, পেদ্রি ও লামিন ইয়ামাল নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারলে স্পেনই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পার্থক্য গড়ে দিতে পারবে।
তিনি বলেন, ‘রদ্রি যদি মিডফিল্ডে নিজের সেরা খেলাটা খেলতে পারে, তার সঙ্গে পেদ্রি ও লামিন ইয়ামালও যদি ছন্দে থাকে, তাহলে স্পেন ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে সক্ষম হবে।’
তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের ভূয়সী প্রশংসাও করেন গার্দিওলা। তার ভাষায়, সাম্প্রতিক চোটের কারণে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও ইয়ামালের মানসিক দৃঢ়তা অসাধারণ।
তিনি বলেন, ‘তার বয়স কম হলেও চাপ সামলানোর ক্ষমতা অসাধারণ। সে একাই একটি ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে।’
সাক্ষাৎকারে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলেন এই স্প্যানিশ কোচ। দীর্ঘ সময় ম্যানচেস্টার সিটির দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে কোচিং থেকে বিরত রয়েছেন তিনি।
গার্দিওলা বলেন, ‘বার্সেলোনায় আমি ৩৭ বছর বয়সে কোচিং শুরু করেছিলাম। এখন আমার বয়স ৫৬। জীবনে নতুন কিছু করতে চাই। এই মুহূর্তে আমি খুব ভালো আছি।’
তবে ম্যানচেস্টার সিটিতে ফেরার সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি তিনি।
তার ভাষায়, ‘একদিন অবশ্যই আমি আবার এতিহাদ স্টেডিয়ামে ফিরব। তবে এখন পর্দার আড়ালেই থাকতে চাই। তারা যদি আমাকে প্রয়োজন মনে করে, আমি অবশ্যই ফিরব।’
সাক্ষাৎকারের শেষ দিকে কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবারও ইয়ুর্গেন ক্লপের নাম উল্লেখ করেন গার্দিওলা।
তিনি বলেন, ‘ইয়ুর্গেনই ছিল আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। সে প্রতি ২০ মিনিট পরপর দলের কৌশল বদলে ফেলত। আমাকে একেবারে পাগল করে দিত।’
কেএম