দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে শুরু হয়েছিল এক স্মরণীয় অধ্যায়। স্পেনকে টাইব্রেকারে হারিয়ে মরক্কোকে কোয়ার্টার ফাইনালে তোলার পর বন্ধু আশরাফ হাকিমিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। সেই বন্ধুত্ব এবার আবারও পরীক্ষার মুখে, কারণ বোস্টনে কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও মরক্কো।
ম্যাচটি শুধু দুই দলের লড়াই নয়, আলোচনার কেন্দ্রেও রয়েছেন দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু এমবাপ্পে ও হাকিমি। মাঠে একজন ফ্রান্সের আক্রমণের প্রধান ভরসা, অন্যজন মরক্কোর রক্ষণভাগের অন্যতম স্তম্ভ। ফলে একই প্রান্তে দুজনের দ্বৈরথই হতে পারে ম্যাচের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক।
২০২১ সালে পিএসজিতে হাকিমির যোগ দেওয়ার পর থেকেই দুজনের বন্ধুত্বের শুরু। ভাষাগত সমস্যার কারণে একে অপরের কাছাকাছি আসেন তারা। ফরাসি ভাষায় অনভিজ্ঞ হাকিমিকে বিভিন্ন বিষয়ে সহায়তা করতেন এমবাপ্পে, আর প্রয়োজন হলে বন্ধুর পাশে দাঁড়াতেন হাকিমিও।
মাঠের বাইরেও তাদের সম্পর্ক ছিল গভীর। একসঙ্গে ছুটি কাটানো, গোল উদযাপন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরকে নিয়ে পোস্ট—সব মিলিয়ে ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আলোচিত বন্ধুত্বে পরিণত হয় তাদের সম্পর্ক। এমবাপ্পে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর নিয়মিত দেখা কমলেও বন্ধুত্বে ভাটা পড়েনি।
এর আগে ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিল দুই বন্ধু। সে ম্যাচে ফ্রান্স ২–০ গোলে জিতলেও শেষ বাঁশির পর আলিঙ্গন, জার্সি বিনিময় এবং পারস্পরিক সম্মানই ছিল সবচেয়ে আলোচিত দৃশ্য।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে এমবাপ্পে বলেছেন, হাকিমির মতো মরক্কোর আর কারও সঙ্গে এত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তার হয়নি। অন্যদিকে হাকিমিও জানিয়েছেন, এমবাপ্পে মরক্কো ও দেশটির সংস্কৃতি-খাবারের বড় ভক্ত এবং সুযোগ পেলেই সেখানে বেড়াতে যান।
তবে বোস্টনের ম্যাচে বন্ধুত্ব কিছু সময়ের জন্য জায়গা করে দেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে। মাঠে নিজেদের দেশের স্বার্থেই সর্বোচ্চটা উজাড় করে দেবেন দুই তারকা। ম্যাচ শেষে ফল যাই হোক, ফুটবলপ্রেমীরা আবারও দেখতে পারেন দুই বন্ধুর পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও জার্সি বিনিময়ের পরিচিত দৃশ্য।
জে আই