দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে বিরতির পর দারুণ এক ফ্রি-কিক থেকে গোল করে কানাডার বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে মরক্কো।
প্রথমার্ধে পুরো ম্যাচে আধিপত্য ছিল কানাডার। তবে গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যাওয়ার পর ম্যাচের চিত্র বদলে দেয় মরক্কো।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দুর্দান্ত এক পরিকল্পিত ফ্রি-কিক থেকে গোল করেন আজেদ্দিন উনাহি। অধিনায়ক আচরাফ হাকিমি ফ্রি-কিক থেকে বলটি বক্সের বাইরে থাকা উনাহির কাছে বাড়িয়ে দেন। সেখান থেকে ডান পায়ের নিখুঁত বাঁকানো শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। কানাডার গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপো বলটির নাগালই পাননি।
ম্যাচজুড়ে পিছিয়ে থাকলেও একটি নিখুঁত সেট-পিস থেকেই লিড নেয় মরক্কো। বিশ্লেষকদের মতে, কঠিন ম্যাচে ভালো সেট-পিসই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে এবং এই গোল সেটিরই প্রমাণ।
গোল হজমের পর দ্রুতই ম্যাচে ফেরার চেষ্টা শুরু করে কানাডা। বিশেষ করে মরক্কোর ডান প্রান্ত দিয়ে একাধিক আক্রমণ চালায় তারা। তবে আক্রমণে অতিরিক্ত ঝুঁকি না নিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখারও চেষ্টা করছে জেসি মার্শের দল।
গোল হজমের পর কানাডার কোচ জেসি মার্শকে টেকনিক্যাল এরিয়ায় হতাশ হয়ে বসে থাকতে দেখা যায়। মরক্কোর প্রথম কার্যকর আক্রমণ থেকেই দলটি গোল হজম করায় তার হতাশা স্পষ্ট ছিল।
পরিসংখ্যান বলছে, এবারের বিশ্বকাপে ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটে এটি কানাডার হজম করা তৃতীয় গোল। এই সময়ে সবচেয়ে বেশি চার গোল হজম করেছে সুইডেন।
গোলের পর মরক্কোও খেলায় আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে এবং দ্বিতীয়ার্ধে আগের তুলনায় অনেক বেশি সংগঠিত ফুটবল খেলছে।
এরই মধ্যে কানাডা একটি পেনাল্টির দাবি তুললেও সেটি নাকচ হয়ে যায়। তাজন বুকানানকে রেদোয়ান হালহালের চ্যালেঞ্জে ফেলে দেওয়া হলেও সহকারী রেফারি আগে থেকেই অফসাইডের পতাকা তোলায় মূল রেফারি মাইকেল অলিভারকে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিতে হয়নি।
অন্যদিকে মরক্কোর গোলরক্ষক বুনোর সঙ্গে ৫০-৫০ বলের লড়াইয়ে নামার পর কানাডার ফরোয়ার্ড সাইল লারিনকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। সিদ্ধান্তটি নিয়ে মাঠে কিছুটা বিতর্কও তৈরি হয়।
এমএস/