দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে ফল নিষ্পত্তি না হলে অতিরিক্ত সময় এবং প্রয়োজনে টাইব্রেকারের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। চলতি বিশ্বকাপে জার্মানি–প্যারাগুয়ে ও মরক্কো–নেদারল্যান্ডসের শেষ ষোলোর দুটি ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ানোর পর এ নিয়ম নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে।
নকআউট পর্বে ৯০ মিনিটের খেলা শেষে দুই দলের গোলসংখ্যা সমান থাকলে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট খেলা হয়। এই সময় দুই অর্ধে বিভক্ত থাকে, প্রতিটি অর্ধের দৈর্ঘ্য ১৫ মিনিট। দুই অর্ধের মাঝখানে দলগুলো প্রান্ত বদল করলেও বিরতি খুবই সংক্ষিপ্ত থাকে।
অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও যদি কোনো দল এগিয়ে যেতে না পারে, তাহলে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয় টাইব্রেকারে।
টাইব্রেকারের আগে রেফারি মুদ্রা নিক্ষেপের মাধ্যমে কোন প্রান্তে শট নেওয়া হবে তা নির্ধারণ করেন। আরেক দফা মুদ্রা নিক্ষেপে ঠিক হয় কোন দল প্রথম শট নেবে।
প্রথম ধাপে প্রতিটি দল পাঁচজন করে খেলোয়াড় নির্বাচন করে। দুই দল পর্যায়ক্রমে একটি করে শট নেয়। অতিরিক্ত সময় শেষ হওয়ার সময় যারা মাঠে থাকেন, কেবল তারাই টাইব্রেকারে অংশ নিতে পারেন। গোলরক্ষকও শট নিতে পারেন।
পাঁচটি করে শট নেওয়ার পরও যদি দুই দলের গোলসংখ্যা সমান থাকে, তাহলে খেলা 'হঠাৎ নিষ্পত্তি' পর্যায়ে যায়। এ সময় প্রতিটি দল একটি করে শট নেয় এবং কোনো এক রাউন্ডে একটি দল গোল করলে অপর দল গোল করতে ব্যর্থ হলেই খেলা শেষ হয়ে যায়।
টাইব্রেকারের সময় গোলরক্ষককে বলে শট নেওয়ার আগ পর্যন্ত গোললাইনেই থাকতে হয়। তিনি গোললাইনের ওপর ডানে-বাঁয়ে নড়াচড়া করতে পারবেন, তবে বলে শট নেওয়ার আগে গোললাইন অতিক্রম করতে পারবেন না।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে বেশ কয়েকটি স্মরণীয় ফাইনাল ও নকআউট ম্যাচের ভাগ্য টাইব্রেকারে নির্ধারিত হয়েছে। ১৯৯৪ সালের ফাইনালে ব্রাজিল ইতালিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শিরোপা জেতে। এছাড়া ২০০৬ সালে ইতালি, ২০১৪ সালে ব্রাজিল এবং ২০১৮ সালে ক্রোয়েশিয়াও টাইব্রেকারে জয় পেয়ে নকআউট পর্ব অতিক্রম করেছিল।
/অ