দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আজ থেকে ঠিক ৪০ বছর আগের এক জাদুকরী রাতে বিশ্ব ফুটবলের আঙিনায় অমরত্ব পেয়েছিলেন ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক ২২শে জুনের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি কেবলই কোনো ফুটবল ম্যাচ ছিল না। আর্জেন্টিনার ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়ে পরিণত হয়েছিল সেই ম্যাচ। যা কিনা ফুটবল ইতিহাসেরই সবচেয়ে আলোচিত, বিতর্কিত ও জাদুকরী মুহূর্তের একটি।
কাকতালীয়ভাবে, চার দশক আগের এই বিশেষ দিনটিতেই আজ বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। এমন এক ঐতিহাসিক দিনে মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে ফুটবল ঈশ্বর ম্যারাডোনাকে স্মরণ করে আবেগী হয়ে পড়লেন আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী কোচ লিওনেল স্কালোনি।
স্মৃতিকাতর হয়ে আলবিসেলেস্তেদের এই মাস্টারমাইন্ড বলেন, ‘আগামীকাল (আজ) এই অবিশ্বাস্য গোলের ৪০ বছর পূর্তি, এটা ভেবেই বুকটা কেঁপে উঠছে। দিনটি আমাদের সবার জন্যই ভীষণ আবেগের। আজ হয়তো চারপাশের সবখানেই আমরা ম্যারাডোনার সেই গোলের ভিডিও দেখতে পাব। বিশ্বাস করুন, দৃশ্যগুলো দেখতে দেখতে আজ হয়তো আমরা সবাই একটু কাঁদবও।’
১৯৮৬ সালের ২২ জুন যখন ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগকে স্রেফ খড়কুটো বানিয়ে ম্যারাডোনা সেই রূপকথা লিখছেন, স্কালোনি তখন নেহাতই এক শিশু। চার দশক আগের সেই শৈশবের স্মৃতি হাতড়ে স্কালোনি বলেন, ‘আমার যতদূর মনে পড়ে, ১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক দিনে আমরা দাদির বাড়িতে ছিলাম। আমরা অনেক মানুষ একসঙ্গে খুব ছোট একটা টিভিতে চোখ রেখে ওই ম্যাচটি দেখছিলাম। আমি নিশ্চিত, আমি সেখানেই ছিলাম এবং ম্যারাডোনার সেই জাদুকরী মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছিলাম।’
সেই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে কোয়ার্টার ফাইনালে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল উঠে আর্জেন্টিনা। পরে জার্মানিকে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছিল আলবিসেলেস্তেরা। এর ৩৬ বছর পর কাতার বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে হারিয়ে লিওনেল মেসির হাত ধরে আর্জেন্টিনাকে তৃতীয় বিশ্বকাপ এনে দিয়ে অমরত্ব লাভ করেন কোচ লিওনেল স্কালোনিও।
কেএম