দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ডারউইনে টেস্ট ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তনের মঞ্চটা নিজের করে নিলেন হাসান মাহমুদ। ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিতে বড় ভূমিকা রাখেন এই পেসার। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রথম দিনেই স্বাগতিকদের চাপে ফেলে বাংলাদেশ। আর ব্যাট হাতে বাংলাদেশ ব্যবধান কমিয়ে এনেছে ১০২ রানে, হাতে ৯ উইকেট।
লাঞ্চের আগেই অস্ট্রেলিয়ার তিন ব্যাটসম্যান জ্যাক ওয়েদেরাল্ড, মারনাস লাবুশেন ও ক্যামেরন গ্রিনকে ফেরায় বাংলাদেশ। তখন ৪ উইকেটে ৭০ রানে পরিণত হয় অস্ট্রেলিয়ার স্কোর। স্লিপে ক্যাচ দিয়েও একবার জীবন পাওয়া স্টিভ স্মিথকেও শেষ পর্যন্ত ফিরিয়েছেন হাসান।
হাসানের বোলিংয়ে মুগ্ধ হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। কায়ো স্পোর্টসকে তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব মুগ্ধ হয়েছি। সে সঠিক জায়গায় বল করে গেছে। একজন বোলারের কাছ থেকে এর চেয়ে বেশি কিছু চাওয়ার থাকে বলে আমার মনে হয় না। তরুণ এই খেলোয়াড়ের অসাধারণ একটি পারফরম্যান্স ছিল।’
সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান ও ধারাভাষ্যকার মার্ক ওয়াহও বাংলাদেশের বোলিং দেখে মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন। নাহিদ রানার মতো মূল অস্ত্র ছাড়াই তিন পেসার মিলে যেভাবে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলেছেন, তার ভাষায় সেটি দলগত পরিশ্রমের প্রতিফলন। গরম আর আর্দ্রতার মধ্যেও তারা ‘লাইন অ্যান্ড লেংথ’ ধরে রেখেছিল বলে মন্তব্য তার।
সদ্য ধারাভাষ্যকার হিসেবে অভিষিক্ত অ্যালিসা হিলিও রানার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের শক্তি সম্পর্কে আমরা আগেই ভালো ধারণা পেয়েছিলাম। নাহিদ রানা না থাকায় এবং আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ বোলারকে না পাওয়ায় আমরা ভাবছিলাম তাদের বোলিং আক্রমণ আসলে কেমন হবে।’
শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের পেসাররা যে মানের বোলিং করেছেন, বিশেষ করে হাসান, তা প্রশংসনীয় বলে মনে করেন এই নারী ক্রিকেটার, ‘একজন তরুণ খেলোয়াড়, যার ক্যারিয়ারও এখনো শুরুর দিকে, সে যেভাবে এসে বোলিং করেছে—বিশেষ করে যেভাবে অস্ট্রেলিয়ান ঘরানার বোলিং করেছে এবং অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানকে প্রতিটি বল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে, সেটি ছিল সত্যিই দারুণ পেশাদার পারফরম্যান্স।’
/অ