দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অস্ট্রেলিয়া সফরে নাহিদ রানা প্রথম না দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে পারবেন, সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়। শুধু নাহিদই নন, লিটন দাস ও শরিফুল ইসলামের চোট নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছে বাংলাদেশ দল। গুরুত্বপূর্ণ এই তিন ক্রিকেটারের মেডিকেল রিপোর্টের অপেক্ষায় থাকায় এখনো অস্ট্রেলিয়া সফরের দল ঘোষণা করতে পারেনি নির্বাচকরা।
প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানিয়েছেন, শনিবারের মধ্যেই ক্রিকেটারদের চোটের সর্বশেষ অবস্থা জানা যেতে পারে। এরপরই দল ঘোষণা করা হবে।
বাশার বলেন, “একটু চাপ তো আছেই। দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারের চোট নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। আশা করছি, কালকের মধ্যে পরিষ্কার চিত্র পাওয়া যাবে। পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে যেতে পারলে স্বস্তি থাকে। কিন্তু চোটের কারণে কাউকে না পেলে সেটি বড় ধাক্কা হবে।”
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে শরীরের বাঁ পাশে চোট পান নাহিদ রানা। ২.৩ ওভার বোলিং করার পর মাঠ ছাড়েন তিনি। পরে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচেও খেলতে পারেননি এই পেসার।
নাহিদের অস্ট্রেলিয়া সফর শেষ হয়ে গেছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করে বলতে পারেননি প্রধান নির্বাচক।
তিনি বলেন, “এখনো পরিষ্কার নয়, সে প্রথম টেস্ট খেলতে পারবে নাকি দ্বিতীয় টেস্ট। বিষয়টি আমাদের জন্য বড় উদ্বেগের। তবে একটি টেস্টের জন্যও যদি তাকে পাওয়া যায়, সেটিও অনেক বড় ব্যাপার হবে।”
নাহিদের পাশাপাশি লিটন দাস ও শরিফুল ইসলামও বাংলাদেশের নিয়মিত একাদশের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তাদের চোটের কারণেই নির্ধারিত সময়েও দল ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি বলে জানান বাশার।
তিনি বলেন, “আমাদের পাঁচ-ছয় দিন আগেই দল ঘোষণা করার কথা ছিল। কিন্তু চোটের কারণে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। নাহিদ, লিটন ও শরিফুল আমাদের নিয়মিত একাদশের খেলোয়াড়। তাদের কাউকে না পেলে সেটি বড় ধাক্কা হবে।”
অস্ট্রেলিয়া সফরে এবাদত হোসেনের অংশগ্রহণ নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। বর্তমানে পিতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকা এই পেসারের ভিসাসংক্রান্ত জটিলতাও রয়েছে। তবে পারিবারিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে ফিরে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।
এ বিষয়ে বাশার বলেন, “এবাদতের সঙ্গে কথা হয়েছে। সে আগে ফিরে আসার চেষ্টা করছে। যাওয়ার আগে ভিসা না করায় কিছু সমস্যা হয়েছে। পরিবার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে, কারণ সে পিতৃত্বকালীন ছুটিতে আছে। সবাইকে পেলে ভালো, না পেলে বিকল্প নিয়ে ভাবতে হবে।”
অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে নাহিদকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলানো নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, সেটিও উড়িয়ে দিয়েছেন প্রধান নির্বাচক। তার দাবি, পরিকল্পনা অনুযায়ীই কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণ করে খেলানো হয়েছিল এই পেসারকে।
তিনি বলেন, “এটি শুধুই একটি দুর্ঘটনা। চোটটি হয়তো আগে থেকেই তৈরি হচ্ছিল। এখানে না হলে টেস্ট ম্যাচেও হতে পারত। একজন বোলারের বেশি বোলিং যেমন চিন্তার বিষয়, তেমনি কম বোলিংও উদ্বেগের। টেস্টের আগে তাদের নির্দিষ্টসংখ্যক ওভার বোলিং করানো প্রয়োজন ছিল।”
অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১৩ আগস্ট ডারউইনে। দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ে। দুটি ম্যাচই আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ।
এমএস/