দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেষদিকে ম্যাচে দারুণ উত্তেজনা ফিরিয়ে এনেছিলেন শরীফুল ইসলাম। ছয় উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে আতঙ্ক ছড়িয়েছিলেন এই বাঁহাতি পেসার। তবুও কুপার কনোলির সেঞ্চুরিতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে জয় তুলে নেয় সফরকারীরা, আর বাংলাদেশের হোয়াইটওয়াশের স্বপ্ন ভেস্তে যায়।
মিরপুরে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে পাঁচ উইকেটে ২৭৪ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ফিফটিতে বড় পুঁজি পায় স্বাগতিকরা। তবে সেই রানও যথেষ্ট হয়নি।
রান তাড়ায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ওভারেই সৌম্য সরকারকে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তা বড় হয়নি। ৬১ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে দল।
এরপর লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় মিলে চতুর্থ উইকেটে ৯২ রানের জুটি গড়ে ইনিংস গুছিয়ে দেন। চোটে মাঠ ছাড়লেও ফিরে এসে ফিফটি করেন লিটন, অপরাজিত থাকেন ৫৮ রানে। হৃদয় খেলেন ৮৩ রানের দারুণ ইনিংস। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও দ্রুতগতির ৫৬ রানে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান।
তবে জবাব দিতে নেমে অস্ট্রেলিয়া শুরু থেকেই রান তুলতে থাকে দ্রুতগতিতে। তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানকে আক্রমণ করে প্রথম চার ওভারেই ৩৮ রান তোলে তারা। তখনই ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেন শরিফুল।
নিজের প্রথম ওভারেই জশ ইংলিস ও ম্যাট রেনশোকে ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচে নাটকীয়তা আনেন তিনি। পরে তাসকিন আহমেদ অ্যালেক্স ক্যারিকে আউট করলে বাংলাদেশ আশা দেখতে শুরু করে।
কিন্তু সেই আশা ধীরে ধীরে শেষ করে দেন ২২ বছর বয়সী কুপার কনোলি। মার্নাস লাবুশেনের সঙ্গে ৬৪ রানের জুটি গড়ে চাপ সামলান তিনি। পরে লাবুশেন ফিরলেও কনোলি ছিলেন অটল। ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে আবারও বড় জুটি গড়ে ম্যাচ নিজেদের দিকে নিয়ে যান তিনি। ৮৭ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই তরুণ ব্যাটার।
শেষদিকে একাই লড়াই চালিয়ে যান শরিফুল। পরপর দুই বলে উইকেট নিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। পরে আরও একটি উইকেট নিয়ে মোট ছয় শিকারে শেষ করেন নিজের ক্যারিয়ারসেরা স্পেল।
তবুও শেষ পর্যন্ত দলীয় লড়াই যথেষ্ট হয়নি। ৪৯.৩ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের হয়ে ছয় উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। একটি করে উইকেট পান তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও শেখ মেহেদী হাসান।
এমএস/