দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পিএসএল-এর ১১তম আসরে আবারো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পেশোয়ার জালমি। অব্যশ্য পাকিস্তান সুপারলীগে দ্বিতীয়বার সেরা হতে তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ৯ বছর।
বাংলাদেশি পেসার নাহিদ রানা ফাইনালে কার্যকর হবেন, তা পেশোয়ার জালমি কর্তৃপক্ষ পক্ষ আগেই বুঝতে পেরেছিলেন। তাইতো শুধুমাত্র একটি ম্যাচ খেলাতে ঢাকা থেকে লাহরে উড়িয়ে নেওয়া হয় নাহিদকে। নির্ধারিত ৪ ওভারে মাত্র ২২ রানে ২ উইকেট নিয়ে কর্তৃপক্ষের সেই আস্থার প্রতিদান দেন রানা।
রোববার রাতে (৩ মে) লাহরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে হায়দারাবাদ কিংসমেন প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। হায়দারাবাদের হয়ে স্যাম আইয়ুব ৫০ বলে করেন ৫৪ রান। আর বাকি ব্যাটার মধ্যে কেউই নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেনি। জবাব দিতে নেমে পেশোয়ার জালমি ২৯ বল ৫ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। যদিও রান তাড়ায় ৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে জালমি। এরপর অ্যারন হার্ডি ও আবদুল সামাদের ৮৫ রান সব শংকা দুর করে দেয়। হার্ডি অপরাজিত থাকেন ৩৯ বলে ৫৬ রানে। এর আগে এই অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার ৪ ওভার বল করে ২৭ রানে ৪ উইকেট নেন।
হায়দারাবাদের ইনিংসে জালমির হয়ে নাহিদ রানা আক্রমনে আসেন ষষ্ঠ ওভারে। নিজের প্রথম ওভারে খরচ করেন ১৩ রান। নিজের দ্বিতীয় ওভারেই শুন্য রানে ফিরিয়ে দেন অস্ট্রেলীয় তারকা গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে। তৃতীয় ওভারটা ছিলো মেডেন সঙ্গে হুনাইন শাহ উইকেট। আর চতুর্থ ওভারে নাহিদ রানা দেন মাত্র ৪ রান। পুরো টুর্নামেন্টে নাহিদ ৫ ম্যাচ খেলে ৯ উইকেট দখল করেন।
বাংলাদেশে-নিউজিল্যান্ড সিরিজ থাকায় টুর্নামেন্টের মাঝ পথে দেশে ফিরতে হয় নাহিদ রানাকে। আর পুরো লীগে ২২ উইকেট নিয়ে সেরা হয়ে খেলোয়াড় হয়েছেন জালমির পেসার সুফিয়ান মুকিম।
এমএম/কে