দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পাওয়ার-প্লেতে দারুণ শুরু করেছিল পাকিস্তান। অভিষিক্ত দুই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত নির্বিঘ্নেই খেলছিলেন এবং জুটিতে যোগ করেন ৪৬ রান। তবে পাওয়ার-প্লের শেষ ওভারে বোলিংয়ে এসে বাংলাদেশ অধিনায়ক মিরাজের আস্থা রাখেন নাহিদ রানা, আর সেখান থেকেই ম্যাচে আসে প্রথম মোড়। নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলেই ৩৮ বলে ২৭ রান করা শাহিবজাদা ফারহানকে ফিরিয়ে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন এই তরুণ পেসার।
নিজের পরের ওভারে এসে দ্বিতীয় শিকার ধরেন নাহিদ। এবার টাইগার এই পেসারের পেস আগুনে পুড়েন আরেক অভিষিক্ত শ্যামল হোসেন। উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
নিজের তৃতীয় ওভারে এসে তৃতীয় শিকার ধরেন নাহিদ। এবার তার শিকারে পরিণত হন মাজ সাদাকত। তার শর্ট বল খেলতে গিয়ে ফাইন লেগে সাইফ হাসানের হাতে ধরা পড়েন পাকিস্তানের এই ওপেনার।
চতুর্থ ওভারে নাহিদের চতুর্থ শিকার মোহাম্মদ রিজওয়ান। অভিজ্ঞ এই পাকিস্তানি ব্যাটার ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে।
পঞ্চম ওভারে এসে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথমবার ফাইফার তুলে নেন নাহিদ। এবার ফেরান সালমান আলি আঘাকে। তিনিও ফাঁদে পড়েন নাহিদের শর্ট বলের।
টানা পাঁচ ওভারে পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের সর্বনাশ ঘটান টাইগার এই ব্যাটার। তার পেস আগুনেই পুড়ে শেষ হয়েছে সফরকারী ব্যাটাররা।
জে আই