দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঘরের মাঠে ৩-০ গোলের দাপুটে জয় পেয়েও শেষরক্ষা হলো না বার্সেলোনার। প্রথম লেগে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ ব্যবধানে ফাইনালে উঠে গেছে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। ২০১৩ সালের পর এই প্রথম কোপা দেল রে’র ফাইনালে জায়গা করে নিলো দিয়েগো সিমেওনের দল।
প্রথম লেগে বড় জয় পাওয়ার সুবিধা নিয়েই মঙ্গলবার রাতে কাতালানদের মাঠে নামে অ্যাতলেটিকো। তবে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বার্সা। অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ নিতে তাদের অন্তত চার গোল প্রয়োজন ছিল।
৩০তম মিনিটে তরুণ উইঙ্গার লামিন ইয়ামাল কর্নার থেকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিচু ক্রস বাড়ান। সেখান থেকে ১৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার মার্ক বার্নাল বল জালে পাঠান। চোট পাওয়া ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের বদলি হিসেবে নামা বার্নাল দুই অর্ধেই গোল করে স্বাগতিকদের ম্যাচে ফেরার আশা জাগান।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বক্সের ভেতর পেদ্রিকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় বার্সা। স্পট কিক থেকে রাফিনিয়া গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর বিপরীত দিকে শট নিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন।
বিরতির পরও একের পর এক আক্রমণে চাপে রাখে বার্সা। তবে দুর্দান্ত নৈপুণ্যে দলকে লড়াইয়ে রাখেন অ্যাতলেটিকোর গোলরক্ষক হুয়ান মুসো। পেদ্রি, বার্নাল ও ইয়ামালের একাধিক প্রচেষ্টা রুখে দেন তিনি। ৭২তম মিনিটে জোয়াও ক্যানসেলোর ক্রস থেকে ভলিতে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন বার্নাল। তাতে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-০। আর একটি গোল পেলেই ম্যাচ গড়াত অতিরিক্ত সময়ে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর জাল খুঁজে পায়নি বার্সা। ফলে জিতেও বিদায় নিতে হয় কাতালানদের।
ম্যাচ শেষে মুসো বলেন, ‘আমরা ফাইনালে, এটাই গুরুত্বপূর্ণ। জানতাম কঠিন হবে। তারা বিশ্বের সেরা দলগুলোর একটি। কিন্তু দুই লেগে আমরা বেশি গোল করেছি, সেটাই আসল।’
হারলেও দল নিয়ে গর্বের কথা জানিয়েছেন রাফিনিয়া। তিনি বলেন, ‘এমন ম্যাচে দলকে নিয়ে গর্বিত না হয়ে পারা যায় না। এভাবে খেলতে পারলে মৌসুমের শেষটা দারুণ হবে।’
ফাইনালে অ্যাতলেটিকোর প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে বুধবারের অন্য সেমিফাইনালে। সেখানে মুখোমুখি হবে রিয়াল সোসিয়েদাদ ও অ্যাথলেটিক বিলবাও। প্রথম লেগে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে সোসিয়েদাদ।
এমএস/