দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কোনো দল কখনো তিনশ করতে পারেনি। সেই গেরো কাটবে, এই আশা নিয়ে চলতি আসর শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো দল সেটা না পারলেও যৌথ সর্বোচ্চ পঞ্চমবার দুইশর বেশি রান হয়ে গেল। আয়ারল্যান্ড এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ২৩৫ রান করে ওমানকে হারাল ৯৬ রানে। আগে ব্যাট করে লরকান টাকারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে আয়ারল্যান্ড বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করে ৫ উইকেট হারিয়ে। তারপর জশ লিটলের চমৎকার বোলিংয়ে ১৮ ওভারে ১৩৯ রানে গুটিয়ে দেয় ওমানকে।
পাওয়ার প্লেতে আয়ারল্যান্ড ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান করে। ৬৪ রানে চার উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল তারা। পল স্টার্লিংয়ের জায়গায় ভারপ্রাপ্ত নেতৃত্ব পাওয়া টাকারের সঙ্গে গ্যারেথ ডিলানি যোগ দিতেই বদলে যায় ম্যাচের দৃশ্যপট। তিনি ৩০ বলে ৩ চার ও ৪ ছয়ে ৫৬ রানে আউট হলে জর্জ ডকরেল ক্রিজে নামেন। তার বিধ্বংসী ইনিংসে ডেথ ওভারেই দলটি ৯৩ রান তোলে, যা তৃতীয় সর্বোচ্চ। শেষদিকে জর্জ ডকরেল আগ্রাসী ছিলেন। তার সঙ্গে টাকারের জুটি ছিল ১৯ বলে ৭০ রানের। এই জুটির রান রেট ২২.১০, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ। অধিনায়ক টাকার ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি করতে পারেননি। ৯৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি, যা অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের সর্বোচ্চ স্কোরার হওয়ার পথে তিনি ৫১ বলে ১০ চার ও ৪ ছয় মারেন। ৯ বলে ৫ ছয়ে ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন ডকরেল। আয়ারল্যান্ড নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ও টুর্নামেন্টে তৃতীয় সর্বোচ্চ রানে জিতেছে। ওমানের হয়ে শাকিল আহমেদ সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন।
১০.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১০০ রান তোলে ওমান। লড়াই করার মতো অবস্থায় ছিল তারা। কিন্তু আমির কালিম ও হাম্মাদ মির্জার ৪৯ বলে ৭৩ রানের জুটি ভেঙে গেলে আর দাঁড়াতে পারেনি ওমান। ৪২ রানে তারা শেষ সাত উইকেট হারায়। কালিম সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন। ৪৬ রান আসে হাম্মাদের ব্যাটে। এছাড়া দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন সুফিয়ান মেহমুদ (১০)।
এমএস/