দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শ্রীলঙ্কার গ্রুপ পর্বের জয়রথ সুপার ফোরে উঠে উল্টে গেছে। বাংলাদেশের কাছে হারের পর মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানের কাছেও পাঁচ উইকেটে হেরেছে লঙ্কানরা। তাও আবার দুই ওভার হাতে রেখে। লঙ্কানদের পরবর্তী ম্যাচ ভারতের সঙ্গে হওয়ায় টানা দুই হারে টুর্নামেন্টের সবথেকে চাপে থাকা দল এখন শ্রীলঙ্কা।
এদিন ১৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করে পাকিস্তান। পাঁচ ওভারেই ৪৩ রান তুলে ফেলে সাহেবজাদা ফারহান আর ফখর জামানের উদ্বোধনী জুটি। তবে পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে দুই ওপেনার ফিরে গেলে বিপাকে পড়ে যায় পাকিস্তান। সেখান থেকে নবম ওভারের মধ্যে পাকিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় ৫৭/৪। তখন ১৩৪ রানের লক্ষ্যটাকে মনে হচ্ছিল দূর আকাশের তারা!
তবে এরপর হুসেইন তালাত হাল ধরেন পাকিস্তানের। প্রথমে মোহাম্মদ হারিসকে সঙ্গে নিয়ে স্কোরবোর্ডে যোগ করেন মূল্যবান ২৩ রান। ইনিংসের ১২তম ওভারে হারিস বিদায় নিলে আবারও চাপে পড়ে যাচ্ছিল দলটা।
তবে শেষমেশ সে চাপটাকে আর ঘাড়ের ওপর জাঁকিয়ে বসতে দেননি তালাত, সঙ্গী হিসেবে এরপর তিনি পেয়েছেন মোহাম্মদ নওয়াজকে। দুজন মিলে ষষ্ঠ উইকেটে ৫৮ রান তোলেন, সেটাই পাকিস্তানকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যায়। তালাত ৩০ বলে ৩২ এবং নওয়াজ ২৪ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন।
শ্রীলঙ্কার হয়ে থিকসানা ও হাসারাঙ্গা দুটি করে উইকেট নেন। বাকি উইকেটটি শিকার করেন চামিরা। দুই উইকেট ও অপরাজিত ৩২ রানে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন হুসাইন তালাত।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে স্বভাবতই মারমুখো ভঙ্গিমায় পাওয়ার প্লে’র সর্বোচ্চ সঠিক ব্যবহারের চেষ্টা চালায় লঙ্কানরা। তবে পাকিস্তানি বোলারদের কাছে রীতিমতো ধরাশায়ী হন তারা। প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই শাহিন আফ্রিদির শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান কুশাল মেন্ডিস। নিজের দ্বিতীয় ওভারে পাথুম নিশাঙ্কাকেও সাজঘরে ফেরত পাঠান আফ্রিদি। কুশাল শূন্য রানে আউট হলেও পাথুম করেন ৮ রান।
পাওয়ার প্লেতে কুশাল পেরেরাকেও হারিয়ে ফেলে লঙ্কানরা। হারিস রউফের শিকার হওয়ার আগে ১ ছক্কা ও ১ চারে ১২ বলে ১৫ রান করেন তিনি। এরপর ১৯ বলে ২০ রান করে দলীয় ৫৮ রানে বিদায় নেন অধিনায়ক আসালাঙ্কা।
ক্রিজে নেমেই পরের বলে হুসাইন তালাতের পরে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ তুলে দেন দাসুন শানাকা (০)। এরপর ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে নিয়ে বিপদ কাটানোর চেষ্টা করেন কামিন্দু। তবে ১৩ বলে ১৫ রান কলে দলীয় ৮০ রানে বিদায় নেন হাসারাঙ্কা। লড়াই চালিয়ে যান কামিন্দু। দলের সংগ্রহ ১২০ পার করে বিদায় নেন তিনি। ৪৪ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৫০ রানে সাজানো ছিল তার ইনিংস। অন্যদিকে চাপের মুহূর্ত ক্রিজ আঁকড়ে ধরে ২১ বলে ১৭ রান করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন চামিকা করুনারত্নে।
পাকিস্তানের হয়ে ২৮ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়েছেন শাহিন। ১৮ রান খরচায় ২ উইকেট হুসাইন তালাতের আর ৩৭ রান খরচায় ২ উইকেট নেন হারিস রউফ।
কে