দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টপ-অর্ডারের ব্যর্থতা, মিডল-অর্ডারে সাকিব-হৃদয়ের পর লোয়ার-অর্ডারে নাসুম আহমেদ আর শেখ মেহেদীর ক্যামিওতে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ। সাকিব-হৃদয় ফিফটি পেলেও অল্পের জন্য ফিফটি মিস করেছেন নাসুম।
কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত পঞ্চাশ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২৬০ রান।
একাদশে পাঁচ পরিবর্তন নিয়ে নামে বাংলাদেশ। নিয়মিত ওপেনার নাঈম শেখের পরিবর্তে লিটন দাসের সঙ্গে ইনিংস ওপেন করেন তানজিদ হাসান তামিম।
তবে শুরুটা ভালো হয়নি দুই ওপেনারের। তৃতীয় ওভারে লিটন দাস সাজঘরে ফেরেন মোহাম্মদ শামির বলে বোল্ড হয়ে শূন্য রানে। এরপর তামিমকে ১৩ রানে ফেরান শার্দুল ঠাকুর। এদিন একাদশে সুযোগ হয় আনামুল হক বিজয়ের। ঘরোয়া লিগে দুর্দান্ত পারফর্ম করা বিজয় এদিন ব্যাটে-বলে এক করতেই পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত ১১ বলে ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন শার্দুলের বলে ক্যাচ দিয়ে।
সাকিবের সঙ্গে ব্যাট করতে নেমে মেহেদী হাসান মিরাজ এদিন দুইবার জীবন পেলেও ১৩ রানের মাথায় স্লিপে ক্যাচ দেশ আক্সার প্যাটেলের বলে।
মাত্র ৫৯ রানে ৪ উইকেট পড়ে গেলে জুটি বাঁধেন সাকিব ও তাওহীদ হৃদয়। দুজনের জুটি থেকে রান আসে দ্রুত। এরমধ্যে ৬৫ বলে সাকিব তুলে নেন ফিফটি। দারুণ গতিতে রান তুলতে থাকা সাকিব শেষ পর্যন্ত কাটা পড়েন ৮৫ বলে ৬টি চার ও ৩ ছক্কায় ৮০ রানের ইনিংস খেলে।
এরপর শামিম হোসেন মাত্র ১ রান করে লেগ বিফোর হন রবীন্দ্র জাদেজার বলে। হৃদয় ফিফটি পূর্ণ করে দলীয় ১৯৩ রানের মাথায় ৫৪ রান করে ক্যাচ দেন শামির বলে তিলকের হাতে।
এরপর যেখানে দুইশ রান পার করতে কষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা সেখানে নাসুম আহমেদের ঝলক। সঙ্গে যোগ দেন শেখ মেহেদী। নাসুম ৪৫ বলে ৬টি চার ও ১ ছক্কায় রর রান করে বিদায় নেন প্রসিদ্ধর বলে বোল্ড হয়ে।
তবে মেহেদীর অপরাজিত ২৯ (২৩) ও অভিষিক্ত তানজিম হাসানের ৮ বলে ১৪ রানে ভর করে ভারতের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ।
ভারতের পক্ষে ৩ উইকেট নেন শার্দুল ঠাকুর। ২ উইকেট নেন মোহাম্মদ শামী ও ১উইকেট করে নেন প্রসিদ্ধ, প্যাটেল এবং জাদেজা।
এমআর/