দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বর্তমানে হ্যাকিং একটা গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো-এর মতো স্মার্টফোনও হ্যাক করা বেড়ে চলেছে। হ্যাকাররা নানা পদ্ধতিতে এটি করে থাকে। এর জন্য অবশ্য কিছুটা আমরা নিজেরাও দায়ী। কারণ, আমাদের অসাবধানতার জন্যই সুযোগসন্ধানী প্রতারকরা নিজেদের কাজ সহজে হাসিল করে নিচ্ছে। ফলে ফোনে থাকা ছবি, ভিডিও ও ব্যক্তিগত সব তথ্যের অ্যাক্সেস তাদের হাতে চলে যাচ্ছে।
কিন্তু, এটা কেন? কিভাবে? হয় তা অনেকেই জানেন না। তাই নিজের অজান্তেই করা ভুলের জন্য হ্যাকাররা সহজেই ফোন হ্যাক করে নিচ্ছে। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে হ্যাকারদের থেকে স্মার্টফোনকে সুরক্ষিত রাখবেন-
পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার না করা
পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সঙ্গে নিজের ফোন কানেক্ট করবেন না। এতে এমন কিছু ভাইরাস থাকে, যা আপনার ফোনকে দুর্বল করতে যথেষ্ট। ফলে প্রতারকরা খুব সহজেই হ্যাক করতে সক্ষম।
দুর্বল পাসওয়ার্ড না দেওয়া
একাধিক অ্যাকাউন্টের জন্য একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। আবার সহজে অনুমান করা যায়, এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করাও (যেমন জন্ম তারিখ, নাম) উচিত নয়।
নিয়মিত আপডেট করা
অপারেটিং সিস্টেম এবং অ্যাপ সময়মত আপডেট না করা। আমরা অনেকেই আছি ফোনে আপডেটের নোটিফিকেশন দেখেও তা করি না। ফলে ফোন হ্যাক করা প্রতারকদের জন্য সহজ হয়ে যায়। তাই অপারেটিং সিস্টেম এবং অ্যাপস নিয়মিত আপডেট করা জরুরি। এতে অনেক সিকিউরিটি আপডেট থাকে। যার ফলে ফোনটি আপডেটের সঙ্গে সঙ্গে নিরাপদও রাখে।
অচেনা লিংকে প্রবেশ না করা
বর্তমানে প্রতারকরা বিভিন্ন লিংকের সাহায্যে তথ্য সংগ্রহ করে। আর এগুলো ব্যাংক, সরকারি সংস্থা বা অন্যান্য বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের বলে দাবি করে। এই লিংকগুলোতে ক্লিক করে ব্যক্তিগত তথ্য বা ব্যাংকিং বিবরণ ভুলেও লিখবেন না। এটা করলে আপনার সমস্ত তথ্য প্রতারকদের কাছে চলে যাবে।
অপরিচিত অ্যাপ ডাউনলোড না করা
অপরিচিত কোনো অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না। কারণ, এগুলো থেকেই বেশিরভাগ সময় হ্যাকিং হয়। এরপর হ্যাকাররা সেই অ্যাপ ব্যবহার করে ক্যামেরা, মাইক্রোফোন বা এসএমএস অ্যাক্সেস নিজের আয়ত্তে নিয়ে নেয়।
অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন
অ্যান্টি-ভাইরাস এবং অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফোনকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে কোনো সন্দেহ থাকলে, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।
এস