দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদকে নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দিলেন ওই সরকারের প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। দায়িত্ব পালনের সময় মাহবুব মোর্শেদের কাছে কোনো সহযোগিতা পাননি বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মাহবুব মোর্শেদকে বাসস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তিনি নিজেও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বুধবার বিকেলে ওই ঘটনা ঘটে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি বাংলা।
আজ বৃহস্পতিবার আজাদ মজুমদার লিখেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের যত নিয়োগ ছিল, তার মধ্যে সবচেয়ে অযোগ্য ছিল মাহাবুব মোর্শেদ। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ে দায়িত্ব পালনকালে তার কোনো সহযোগিতাই পাইনি। একবার তো গুমের রিপোর্টই সে গুম করে দিয়েছে। যে রিপোর্টার এই রিপোর্ট করেছে, তাকে অবর্ণনীয় হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।’
তিনি লিখেছেন, ‘মাহাবুব মোর্শেদকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বহুবার আলোচনা হয়েছে। শুধুমাত্র একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রিয়পাত্র হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। তার নিয়োগটি বাতিলযোগ্য ছিল। তাকে বিদায় করার জন্য গা-জোয়ারির বিষয়টি সমর্থনযোগ্য নয়।’
বাসসের প্রধান বার্তা সম্পাদক মো. মানিকুল আজাদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘কর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণের কারণে অনেক দিন ধরেই তাঁর ওপর ক্ষোভ বিরাজ করছিল। সব নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতে রাখতেন, কাউকে সম্মান দিতেন না। কেউ কিছু বলতে গেলেই তাঁকে বদলি করে দিতেন। সব মিলিয়ে ক্ষোভের একটা বিস্ফোরণ হয়েছে।’
অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাহবুব মোর্শেদ। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই পরিস্থিতির জন্য বিএনপিকে দায়ী করেন। ফেসবুক পোস্টে বুধবার তিনি লিখেছেন, ‘আমাকে এই পদে না রাখতে চাইতেই পারেন। চুক্তি বাতিল ও অপসারণের নানা স্বীকৃত পদ্ধতি আছে। সেসব দিকে না গিয়ে অফিসে মব সৃষ্টি করে, হামলা করে, তালা দিয়ে সরাতে চাইছেন কেন?’
গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট দুই বছরের চুক্তিতে মাহবুব মোর্শেদকে বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দেয় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার।
আরএ