দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে ডিলিট করে দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে বেশ আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়েছে।
অনেকেই প্রশ্ন করছেন, একজন উপদেষ্টা কী এমন পোস্ট দিয়েছেন যে সেটি আবার ডিলিট করে দিতে হলো। চলুন দেখি, মাহফুজ আলমের সেই পোস্টে কী ছিল। তথ্য উপদেষ্টা তার ভেরিফায়েড আইডির পোস্টে লিখেছিলেন—
‘আমাকে নিয়ে নোংরামি করতেসো, ঝামেলা নাই। ফ্যামিলি টাইনো না, যুদ্ধাপরাধের সহযোগী রাজাকারেরা। এটা লাস্ট ওয়ার্নিং। আর, যে চুপা শিবিররা এ সরকারে পদ বাগাইসো আর বিভিন্ন সুশীল ব্যানার খুলে পাকিস্তানপন্থা জারি রাখসো, তোমরা তোমাদের পূর্বপুরুষ রাজাকার আর দালালদের তুলনায় আরও অধিক ভুগবা। যারা বিতর্কের এবং গালাগালির লিমিট জানে না, তাদের আমি সহনাগরিক মনে করিনা। পাকিস্তানপন্থীরা যেখানেই থাকবে, সেখানেই আঘাত করা হবে। আমৃত্যু! ঢাবিতে এ রাজাকারদের আগে ঠেকানো হবে, যারা এদের স্পেস দিসে তাদের জন্য গত পঞ্চাশ বছরের তুলনায় অধিক জিল্লতি অপেক্ষা করসে!’
ধারণা করা হচ্ছে, আগের একটি পোস্টের পরিপ্রেক্ষিতে এই বিতর্কিত পোস্টটি দেন মাহফুজ আলম। ওই পোস্টে তিনি যুদ্ধাপরাধের সহযোগিদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।
মাহফুজ আলম তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “১. ’৭১ এর প্রশ্ন মীমাংসা করতেই হবে। যুদ্ধাপরাধের সহযোগিদের ক্ষমা চাইতে হবে। বাংলাদেশে রাজনীতি করতে হলে পাকিস্তানপন্থা বাদ দিতে হবে। পাকিস্তান এদেশে গণহত্যা চালিয়েছে। (পাকিস্তান অফিশিয়ালি ক্ষমা চাইলেও, তদুপরি আবারও ক্ষমা চাইতে রাজি হলেও, যুদ্ধাপরাধের সহযোগিরা এখনও ক্ষমা চায়নি।) ইনিয়ে বিনিয়ে গণহত্যার পক্ষে বয়ান উৎপাদন বন্ধ করতে হবে। জুলাইয়ের শক্তির মধ্যে ঢুকে স্যাবোট্যাজ করা বন্ধ করতে হবে। সাফ দিলে আসতে হবে।...........................................”
পোস্টে তার বক্তব্যে ধারণা করা হচ্ছে, আগের পোস্টের পর তিনি কোনো এক পক্ষের সমালোচনার মুখে পড়েছেন, এমনকি তার পরিবার নিয়েও কথা উঠেছে। সেই প্রতিক্রিয়ায় উধাও হওয়া পোস্টে তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করেন।
তবে একজন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টার এমন বক্তব্য কেউই স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। সামাজিক মাধ্যমে পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই পোস্টটির স্ক্রিনশট নিয়ে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন, শেয়ার করছেন নানান ব্যঙ্গাত্মক ও সমালোচনামূলক ক্যাপশনসহ- যার অধিকাংশ প্রতিক্রিয়াই নেতিবাচক।
আরএ