দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নিয়ে একটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি হাতে হাতকড়া পরা অবস্থায় পুলিশের পোশাক পরা এক নারীর দিকে তাকাচ্ছেন, এবং পাশেই থাকা পুলিশ সদস্য তাকে বারবার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ভিডিওটি নিয়ে দাবি করা হচ্ছিলো যে এটি একটি বাস্তব ঘটনা।
তবে, বাংলাদেশি তথ্য যাচাই সংস্থা রিউমার স্ক্যানার জানায়, ভিডিওটি কোনো বাস্তব ঘটনার অংশ নয়। এটি আসলে দীপ্ত টিভির ‘মাশরাফি জুনিয়র’ নামক ধারাবাহিক নাটকের শুটিংয়ের একটি অংশ। রিউমার স্ক্যানার আরও জানায় যে, এই ভিডিওটির সঙ্গে সম্পর্কিত আরও একটি ভিডিও ৮ নভেম্বর ‘আসিফ আদনান ব্রো’ নামে একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে একই দৃশ্য পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে আসিফ আদনান বলেন, তিনি দীপ্ত টিভির ডিজিটাল ডিপার্টমেন্টে কর্মরত এবং পাশাপাশি কনটেন্ট তৈরি করেন। নাটকের শুটিংয়ের ফাঁকে মজার ছলে নিজের জন্য এই ভিডিওটি তৈরি করেছিলেন।
অতএব, এই ভিডিওটি সম্পূর্ণরূপে নাটকীয় এবং বাস্তব ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়। নেটদুনিয়ায় এই ভিডিওটি নিয়ে সরগরম হয়ে পড়ে। যা এখনও আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।
সামসুল হক নামে একজন কমেন্টে লিখেছেন, আসলে অনেক জোস ছিল, বাস্তবিক পর্যায়ে একটা নাটক বা টকশো না দেখলে বুঝার উপায় নাই যে- সে আসামি।
সারমিন আকতার শিলা নামে একজন কমেন্টে লিখেছেন, হায়রে এতো বড় ধোকা, এদিকে আমরা এটি সত্যি ভেবেছিলাম।
এর আগে নেটিজেনরা বলছেন, আসামিটাকে দেখে মনে হচ্ছে অনেকদিন ধরে খাওয়া দাওয়া করে না। পুলিশকে আসামির পছন্দ হয়েছে বিধায় এই রকম কাজ করেছে। অনেকে তাকে মেয়ে পাগল বলেও ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন।
আসামিকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী বলে নেটিজেনরা স্ট্যাটাস দিয়ে আরও বলেন, তাদের চরিত্র কখন ঠিক হবে না। ছাত্রলীগের কাজই হলো মেয়েদের হয়রানি ও ধর্ষণ করা। যার কারণে আসামি হয়েও সে পুলিশের প্রতি এভাবে তাকায়। তাকে ভালো করে উত্তম-মাধ্যম দেওয়া হোক।
আরএ