দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সৌদি আরবে ২২ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রথম সৌদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্মরণোৎসব উদযাপিত হয়েছে।
রাজধানী রিয়াদ-এ বাসিন্দারা প্রথম সৌদি রাষ্ট্রের পতাকা স্থাপনের এক বিশেষ উদ্যোগে অংশ নেন। রিয়াদ পৌরসভার আয়োজনে শহরের বিভিন্ন পাড়া, পার্ক ও সড়কে এ কর্মসূচি পালিত হয়। জাতীয় গর্ব ও জনসম্পৃক্ততার প্রতিফলন হিসেবে প্রধান সড়ক ও জনসমাগমস্থল পাঁচ হাজারেরও বেশি আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয় বলে জানিয়েছে সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)।
এদিকে জেদ্দা পৌরসভা প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে বহুদিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নেয়। শহরের প্রধান সড়ক, স্কয়ার ও কর্নিশ সাজানো হয় উৎসবের সাজে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রিন্স মাজিদ পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাজপাখি ও অশ্বারোহী প্রদর্শনী এবং ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। পরিবারভিত্তিক আয়োজনে ছিল মেহেদি অঙ্কন ও শিশুদের জন্য সৃজনশীল কর্মশালা।
পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাহরান-এ অবস্থিত কিং আবদুলআজিজ সেন্টার ফর ওয়ার্ল্ড কালচার ২০ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বহুরাতব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। পরিবারবান্ধব এ আয়োজনে প্রায় ৩০টি ঐতিহ্যভিত্তিক কার্যক্রম ছিল। দর্শনার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, প্রদর্শনী ও হাতে-কলমে কর্মশালায় অংশ নেন। প্রবেশ ছিল উন্মুক্ত। আয়োজনস্থলে খাবারের দোকান, ঐতিহ্যবাহী বাজার, মেহেদি ও সাদু বুনন সেশন, জাদুঘর ও গ্রন্থাগারে গল্প বলা এবং প্লাজা প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করে।
এসপিএ জানায়, বাহা অঞ্চল-এর ঐতিহ্যবাহী বাজারগুলো প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে রূপ নেয়। দোকানগুলো জাতীয় পতাকা, পামপাতা ও মৃৎশিল্পসহ ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প দিয়ে সাজানো হয়। স্থানীয়রা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে উৎসবে অংশ নেন। এসব আয়োজন স্থানীয় কারিগরদের সহায়তা, অর্থনৈতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং অঞ্চলের পর্যটন আকর্ষণ বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
১৭২৭ সালে প্রথম সৌদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ২৯৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি ভবন সবুজ আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়। এ উপলক্ষে কিং ফাহাদ কমপ্লেক্স ফর দ্য প্রিন্টিং অব দ্য হোলি কোরআন-কেও সবুজ আলোয় আলোকিত করা হয়, যা গর্ব, ঐক্য, স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতির প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়।
তাবুক পৌরসভা দিবসটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বে ২৩টি সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাতে পার্ক ও জনসাধারণের সুবিধাগুলো প্রস্তুত রাখা হয়।
অন্যদিকে জাজান পৌরসভা দেড় হাজারের বেশি ব্যানার ও থিমভিত্তিক প্রদর্শনী দিয়ে অঞ্চলটি সাজিয়ে তোলে। সড়ক, পার্ক ও পাবলিক স্কয়ারে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। সরকারি বিভাগের সমন্বয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাজানের নিজস্ব জাতীয় পরিবেশনা, লোকশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী প্রদর্শনী স্থান পায়।
জে আই