দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ভবিষ্যতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে সাথে নিয়েই আন্দোলনের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ছক কষছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই অভিযোগ তোলেন। জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের সাম্প্রতিক একটি বক্তব্যের জেরে তিনি এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, "বিরোধীদলের সাথে সরকার যে আচরণ করছে, তা আওয়ামীলীগও করেনি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। আমি আগেই বলেছিলাম, ভবিষ্যতে জামায়াত-এনসিপি আওয়ামীলীগকে সাথে নিয়েই আন্দোলন করবে। এমপি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের বক্তব্যে সেটি স্পষ্ট হলো।"
গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির: রাশেদ খানগণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির: রাশেদ খান বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াতের আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি আরও লেখেন, "সেপ্টেম্বর-নভেম্বর লংমার্চের মাধ্যমে দেশকে অশান্ত করে, ডিসেম্বর থেকে আওয়ামীলীগসহ নামবে জামায়াত!"
চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি নেতা রাশেদ খান জামায়াতের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি লেখেন, "তাহের সাহেবের বক্তব্য অনুযায়ী, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে ১৪০০ এর অধিক শহীদ, ৩০০০০ আহত যোদ্ধার রক্ত জামায়াতের কাছে কিছুই না! আসলেই তো এর থেকে বেশি রক্ত ৭১ এ ঝরিয়েছে জামায়াত! আর এজন্য জামায়াতের তুলনায় আওয়ামীলীগের অপরাধ লঘুই বলা যায়! তা নাহলে ২৪ এর গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগও জামায়াতের উপর দমন করে নি, একথা বলে কিভাবে?"
বিগত সরকারের মেয়াদে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও দাবি করেন, "সত্যি বলতে, জামায়াত তো বিগত ১৬ বছর আওয়ামীলীগের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল, তাদের সাথে আওয়ামীলীগ কেন খারাপ আচরণ করবে? প্রতিদান স্বরুপ আওয়ামীলীগের অপরাধকে নরমালাইজ করতে তাহের সাহেবরা মাঠে নতুন বয়ান ছাড়ছে..... আর পাশে দাঁড়িয়ে সেগুলো উপভোগ করছে নাহিদ ইসলাম!"
পোস্টের শেষে তিনি "ইনকিলাব জিন্দাবাদ" স্লোগান দিয়ে নিজের বক্তব্যের ইতি টানেন।
কেএম