দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শরীয়তপুর-২ আসনে নির্বাচন শেষ হওয়ার পর জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। তারা দাবি করেছেন, নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে কাজ করায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা এই সহিংসতা চালাচ্ছে। সংগঠনটির নেতারা অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনারও দাবি জানিয়েছেন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় জেলা শহরের চৌরাঙ্গী এলাকায় জামায়াতের জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির কেএম মকবুল হোসেন। তিনি জানান, ‘নির্বাচনের শুরু থেকেই বিএনপির নেতা-কর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর সহিংস আচরণ শুরু করেছে। নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী শফিকুর রহমান কিরণ জয়লাভের পর জামায়াতের প্রার্থী মাহমুদ হোসেন তার সঙ্গে দেখা করে এলাকার উন্নয়নের জন্য একসঙ্গে কাজ করার আশ্বাস দেন এবং নেতাকর্মীদের ওপর সহিংসতা না করার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু বিএনপির নেতা-কর্মীরা সেই প্রতিশ্রুতি মানছে না।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে আরশীনগর এলাকায় প্রথমে জামায়াতের কর্মী ইব্রাহিম খলিল এবং পরে মানিক বালা’র ওপর স্থানীয় যুবদল নেতা আফজাল বালা ও তার লোকজন হামলা চালায়। পুলিশকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
ভুক্তভোগী জামায়াত নেতা মানিক বালা বলেন, ‘নির্বাচনে আমি জামায়াতের পক্ষে কাজ করেছি। নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার আমার অফিসে যুবদল নেতা আফজাল বালা ও তার লোকজন হামলা চালায়। তারা আমাকে মারধর করে অফিসে আটকে রাখে এবং অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে হত্যার হুমকি দেয়। প্রশাসনকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি; উল্টো হুমকির শিকার হয়েছি।’
জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির কেএম মকবুল হোসেন আরও বলেন, ‘আমরা সবসময় চাই সবাই সহাবস্থান বজায় রাখুক। কিন্তু সরকারদলীয় নেতা-কর্মীরা আমাদের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশা করি।’
এমএস/