দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আমেজ শেষ হয়েছে; অপেক্ষা শপথ অনুষ্ঠানের। তবে এখন আলোচনায় জামানত হারানো প্রার্থীরা।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিধি অনুযায়ী, ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ (১২.৫%) সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়ে অসংখ্য প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তালিকায় যেমন রয়েছেন ছোট দলের প্রার্থীরা, তেমনই রয়েছেন অনেক আলোচিত প্রার্থীও। ভোটের মাঠে তারা সাধারণ ভোটারদের মন জয় করতে ব্যর্থ হয়েছেন। সব জামানত হারানো প্রার্থীর বিস্তারিত তালিকা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ইসি এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন দেয়নি। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, বড় একটি অংশ জামানত হারিয়েছেন। এর আলোচিত কয়েকজনের বিবরণ দেয়া হলো। মাহমুদুর রহমান মান্না:
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) সংসদীয় আসনে জাতীয় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছেন। তিনি দলীয় কেটলি প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৩ হাজার ৪২৬। ফলে জামানত হারিয়েছেন। মো. তারেক রহমান:
ঢাকা-১২ আসন থেকে জামানত রক্ষা করতে পারেননি আমজনতা দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান। নির্বাচনে তিনি প্রজাপতি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ হাজার ৪৪ ভোট। সিলেট-২ আসন:
এ আসনে জামানত হারিয়েছেন তিন প্রার্থী। ফলাফলে দেখা যায়, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আমির উদ্দিন হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৩৮৯ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহবুবুর রহমান লাঙ্গল প্রতীকে ১ হাজার ৪০৪ ভোট এবং গণফোরাম প্রার্থী মুজিবুল হক উদীয়মান সূর্য প্রতীকে পেয়েছেন ৬৩২ ভোট। চট্টগ্রাম-৮ আসন:
এখানে জামানত হারিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আলম এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ এমদাদুল হক। জোবাইরুল হাসান আরিফ মাত্র ২ হাজার ৯০৬ ভোট পেয়েছেন, মোহাম্মদ নুরুল আলম পেয়েছেন ১ হাজার ১৮৮ ভোট এবং মোহাম্মদ এমদাদুল হক পেয়েছেন ৮৭০ ভোট। গাইবান্ধা-১ আসন:
আট প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনই জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন: বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী)-এর পরমানন্দ দাস (৩৯৬ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা. ছালমা আক্তার (৩৬৯ ভোট), আমজনতা দলের মো. কওছর আজম হাননু (১৭৪ ভোট), স্বতন্ত্র হিসেবে জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মোস্তফা মহসিন (২৭ হাজার ৪৩ ভোট) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রমজান আলী (২ হাজার ৪৩ ভোট)। নেত্রকোনা-৪ আসন:
এ আসনে দুই নারী প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন: কমিউনিস্ট পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী চম্পা রানী সরকার। জলি তালুকদার কাস্তে প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৫৯ ভোট এবং চম্পা রানী সরকার কোদাল প্রতীকে পেয়েছেন ২৮২ ভোট। চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সংসদীয় তিনটি আসনে ১৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জন জামানত হারিয়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে জাতীয় পার্টির মোহা. আফজাল হোসেন (২,২৬৩ ভোট), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আব্দুল হালিম (৫৫৭ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনিরুল ইসলাম (১ হাজার ০৮৩ ভোট) এবং ইসলামী ফ্রন্টের নবাব মো. শামসুল হোদা (৪৪৬ ভোট) জামানত হারিয়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. সাদেকুল ইসলাম (৬২৬ ভোট), জাতীয় পার্টির মু. খুরশিদ আলম (৮,১৭৫ ভোট) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইব্রাহিম খলিল (১,০৬৯ ভোট) জামানত হারিয়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) ফজলুর ইসলাম খাঁন সুমন (৬৩৭ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মনিরুল ইসলাম (৮২০ ভোট) এবং গণ অধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম (৩৬১ ভোট) জামানত হারিয়েছেন।
কে