দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একমাত্র প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসন থেকে লড়েছেন তিনি। আসটিতে পাঁচ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ মোট ভোটার রয়েছে। এনসিপি প্রার্থীর ভরাডুবি হয়েছে। তিনি সর্বসাকুল্যে ভোট পেয়েছেন মাত্র ২ হাজার ৯০৬টি। অর্থাৎ মোট ভোটারের বিপরীতে শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন তিনি। এই আসন থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার ৭৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. আবু নাছের পেয়েছেন ৫২ হাজার ৩৩ ভোট।
চট্টগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন ও বোয়াখালীর সহকারী রিটার্নিং অফিসার মেহেদী হাসান ফারুকের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ১৩৪ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্রে বলা আছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। এই পরিপত্র অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-৮ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত না হতে প্রার্থীকে ২০ হাজার ৪৯০টি বেশি ভোট পেতে হতো। এনসিপির প্রার্থী পেয়েছেন ২ হাজার ৯০৬ ভোট। ফলে বাজেয়াপ্ত হবে তার জামানত।
শুধু এনসিপি প্রার্থী নয় এই আসনে আরও দুই প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন- ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আলম ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ এমদাদুল হক। তারা যথাক্রমে ভোট পেয়েছেন ১ হাজার ১৮৮ ভোট ও ৮৭০ ভোট।
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার ১৬টি আসনে মধ্যে ১৪টিতে জিতেছেন বিএনপি প্রার্থীরা। অন্য দুটি আসন জিতেছেন জামায়াতের প্রার্থীরা।
আরএ