দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঢাকা–১৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার সময় এক হকারকে এক হাজার টাকা দিতে দেখা গেছে ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবিরকে। সোমবার ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তায় পান বিক্রি করা এক বয়স্ক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন শাহরিয়ার কবির। ব্যবসার অবস্থা জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি বলেন, দেশের পরিস্থিতি ভালো না, সবাই আতঙ্কের মধ্যে আছে। এ সময় শাহরিয়ার কবির বলেন, আমরা মুসলমান, একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কারও ক্ষমতা নেই ভালো করার। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, রিজিকের মালিক কে এবং এই মুহূর্তে তাদের দেখা হওয়ার মালিক কে। জবাবে ওই ব্যক্তি বলেন, আল্লাহ। কথোপকথনের শেষে শাহরিয়ার কবির ওই ব্যক্তির হাতে এক হাজার টাকার একটি নোট তুলে দেন।
ঘটনাটি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহরিয়ার কবির বলেন, মানুষের সাহায্য করা এখন বিপদ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, দোকানে বাচ্চাদের খেলনা কিনে দিলে কেউ কিছু বলে না, কিন্তু গরিব মানুষকে সাহায্য করলেই সেটি সমস্যা হয়ে যায়।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ৭৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো ভোটারকে ভোট দিতে উৎসাহিত করা বা ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে টাকা দেওয়া, প্রস্তাব করা বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
এই প্রেক্ষাপটে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রসঙ্গে শাহরিয়ার কবির বলেন, ওই হকারের সঙ্গে তিনি দীর্ঘ সময় কথা বলেছেন এবং তিনি জানিয়েছিলেন সারাদিনে তার কোনো বিক্রি হয়নি। মানবিক দিক বিবেচনায় তাকে এক হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে তিনি কোনো ভোট চাননি। তিনি আরও বলেন, একই জায়গায় তিনি ছোট বাচ্চাদেরও খেলনা কেনার জন্য টাকা দিয়েছেন এবং তখনও স্পষ্ট করে বলেছেন যে এটি নির্বাচনের জন্য নয়।
এমএস/