দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এদিন বিকাল সাড়ে ৩টায় হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।
জানা গেছে, বিএনপির এবারের ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, পরিবেশ এবং খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিনদের মাসিক সম্মানীসহ জনমুখী ইস্যুকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। নারী ও তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর সমন্বয়ে ইশতেহারের বিষয়বস্তু চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের বিভিন্ন বক্তব্য ইশতেহারে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
ইশতেহারে বিএনপির ৩১ দফার আলোকে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, মানবাধিকার সুরক্ষা, বাক-স্বাধীনতা, স্বচ্ছ প্রশাসন ও জাতীয় অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত থাকছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জুলাই সনদের আলোকে মানবাধিকার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পূর্ণ স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা দেওয়ার কর্মপরিকল্পনাও থাকছে।
নির্বাচনি ইশতেহার প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘বিএনপি গণমানুষের দল, তৃণমূলের ক্ষমতায়নের দল। আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় সব শ্রেণিপেশার মানুষের সাথে আমরা কাজ করেছি। প্রাথমিকভাবে ৩১ দফা নিয়ে আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা-উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত কর্মসূচি নিয়েছি।’
‘সেই জনসম্পৃক্ততার আলোকে দল, অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠন সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামতের ওপর ভিত্তি করে যুগের চাহিদা মিলিয়ে জনমানুষের সমস্যার সমাধানের জন্য, তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য বিএনপি নির্বাচনি ইশতেহার নিয়ে আসছে।’
‘এখানে আমাদের দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে উনাদের যে ভিশন রয়েছে, যে রূপকল্প রয়েছে সেটিকে যেমন প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। একই সাথে সেখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে একদম সাধারণ মানুষের যে সমস্যাগুলো রয়েছে, তারা কী চাচ্ছে? আমাদের মূল লক্ষ্য এমনভাবে পরিকল্পনাগুলো সাজানো যেটি বাস্তবভিত্তিক হয়, যেটা টেকসই হয়।’
মাহদী আমিন বলেন, ‘আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান যখন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করলেন, তখন তিনি বলেছিলেন, হি হ্যাজ এ প্ল্যান। এই প্রত্যেকটা প্ল্যান মানুষের এমপাওয়ারমেন্টের জন্য, এই প্রত্যেকটা প্ল্যান মানুষের স্বাধীনতা এবং স্বনির্ভরতার জন্য, এই প্রত্যেকটা প্ল্যান মানুষের স্বনির্ভরতার পাশাপাশি সুরক্ষা এবং সার্বিক নিরাপত্তার জন্য।’
‘আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে জনগণের ক্ষমতায়ন হবে। আমাদের ইশতেহারের প্রতিটি পর্যায়ে সেই জনগণের ক্ষমতায়ন জনগণের রাষ্ট্রীয় মালিকানা, স্বাধীনতা অধিকার, নিরাপত্তা সুরক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন যেখানে নিজে তার পরিবার নিয়ে এখন থেকে অনেকটা ভালো থাকবে। প্রতিটি সেক্টরে সুনির্দিষ্ট সুবিস্তৃত যে পরিকল্পনা রয়েছে, তার মাধ্যমে দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাবে।’
এবি/