দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতা এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাওলানা রেজাউল করীমের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই নৃশংসতার তীব্র নিন্দা জানান এবং হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।
বিবৃতিতে সাহেব চরমোনাই পীর বলেছেন, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে চেয়ারে বসার মতো তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে যে ধরনের সহিংসতা ঘটেছে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতাকে যে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে তা উদ্বেগজনক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই ধরনের নৃশংসতা জাতিকে হতাশ করেছে। এই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য রাজনৈতিক দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক আচরণ করতে হবে।
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও ফতেহপুর ফাজিল মাদরাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা রেজাউল করীমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির আরও বলেন, এ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হতে হবে। সহিংসতা তৈরি ও সহিংসতার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা বা শিথিলতা থাকলে তাও তদন্ত করতে হবে এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
উল্লেখ্য, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বসার আসন নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটে। এতে গুরুতর আহত মাওলানা রেজাউল করীমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
আরএ