দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর সাম্প্রতিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডকে ‘নোংরামি’ ও ‘ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘাত উসকে দেওয়ার চেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেছেন আব্দুল কাদের।
নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, ব্যক্তিস্বার্থে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শহীদ ওসমান হাদীকে ‘বিক্রি’ করছেন এবং ৫ আগস্টের পর আবারও পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন, যা দেশের মানুষ কখনোই চায় না।
ফেসবুক পোস্টে আব্দুল কাদের বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজেকে আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক হিসেবে উপস্থাপন করলেও বাস্তবে সেই ভূমিকা তারা দেখেননি।
তিনি দাবি করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পরপরই বাংলামোটরের বিয়াম ভবনে আসিফ, নাহিদ ও মাহফুজের সঙ্গে আন্দোলনে যুক্তদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ১৯ জুলাই থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া জুনিয়র লেয়ারের সদস্যরা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ভূমিকা ও দায়িত্বপ্রাপ্তি নিয়ে গুরুতর আপত্তি তোলেন।
আব্দুল কাদেরের ভাষ্য অনুযায়ী, বৈঠকে তারা প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কোথা থেকে এসে লিয়াজোঁ কমিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন এবং তার অতীত রাজনৈতিক ইতিহাস বিবেচনায় তাকে বিশ্বাস করার কোনো ভিত্তি আছে কি না।’
তিনি উল্লেখ করেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অতীতে শিবির, ছাত্র ফেডারেশন ও এবি পার্টির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সেখান থেকে বেরিয়ে আসার ইতিহাস রয়েছে, যা নতুন উদ্যোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
পোস্টে আরও বলা হয়, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর আন্দোলনে অবদান প্রসঙ্গে নাহিদ জানান, আন্দোলনের সময় একদিন তিনি নাহিদকে আশ্রয় দিয়েছিলেন এবং ডিআরইউতে সংবাদ সম্মেলনের দিন সহায়তা করেছিলেন। তবে আব্দুল কাদের প্রশ্ন তোলেন, এতটুকু অবদান এবং তার বিতর্কিত অতীত বিবেচনায় তাকে লিয়াজোঁ কমিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া কতটা যৌক্তিক ছিল?
আব্দুল কাদের জানান, সে সময় নাহিদসহ অন্যরা যুক্তি দিয়েছিলেন যে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী একজন সিনিয়র ব্যক্তি এবং তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর প্রয়োজন রয়েছে। ওই বৈঠকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভবিষ্যতে সংগঠন ভাঙনের রাজনীতিতে জড়াবেন না বলে অঙ্গীকারও করেছিলেন বলে দাবি করা হয়।
তবে বর্তমানে তার কর্মকাণ্ডে সেই অঙ্গীকারের কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন আব্দুল কাদের। পোস্টের শেষাংশে তিনি হতাশা প্রকাশ করে লেখেন, এখন এসে আমরা সেই অঙ্গীকারের ছিটেফোঁটাও দেখতে পেলাম না। আফসোস।
জে আই