দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

এই নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমরা বিশ্বাস রাখতে পারছি না উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এই নির্বাচনে আমরা অংশ নেবো কি না তা আমরা এখনও বিবেচনা করতে পারছি না।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণ খেলাপি বা ঋণ খেলাপির গ্যারান্টারদের অনেককে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পেয়েছি। এই কমিশনের অধীনে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে বলে আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না। এ সময় ছাত্রদলের আজকের নির্বাচন ভবন ঘেরও কর্মসূচিকে একটি নাটক বলে আখ্যায়িত করেছেন আসিফ মাহমুদ।
তিনি বলেন, আজ পুরো জিনিসটা এক ধরনের নাটকের মতো মঞ্চায়িত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার সময় দেখলাম ছাত্রদলের দুই তিন হাজার নেতাকর্মী এক ধরনের মব সৃষ্টি করেছে আজকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে; যে দিন আপিল শুনানির শেষ দিন। বাইরে থেকে তারা একটা এক্সটারনাল প্রেশার তৈরি করে রেখেছে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, রায়ের পূর্বমুহূর্তে যে অপরাধী বা অপরাধীর পক্ষের, তাদের সঙ্গে বসে বিচারক কোনো রায় দেয়; তবে সেই রায় কোনোভাবেই নিরপেক্ষ রায় হওয়ার সুযোগ নেই। আমরা দেখলাম কমিশনার সদস্যরা ১৫ মিনিটের কথা বলে দেড় ঘণ্টা সময় তাদের (বিএনপির একদল নেতা) সঙ্গে ডিসকাস করেছেন। এটা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত। তারা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অনেকের সঙ্গে বৈঠক করলেন। এরপর তারা এসে রায় দিলেন। এটা যে একপাক্ষিক হয়েছে তার প্রতিফলন আমরা দেখতে পেয়েছি।
তিনি আরও বলেন, দ্বৈত নাগরিক ও ঋণ খেলাপিদের সেখানে ছাড় দেওয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, গতকাল ও আজ তারা যা করেছে, তার ফলে তাদের প্রতি রাজনৈতিক দলগুলো আত্মবিশ্বাস হারিয়েছে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দেখলাম, একজন দ্বৈত নাগরিকের পক্ষে তিনি কথা বলছেন। তিনি (সিইসি) বলেন, তিনি তো বাধ্য হয়ে দেশের বাইরে ছিলেন। তবে এটার বিষয়ে রায়টা এখনও আসেনি। এটা হলো কুমিল্লা-৩ আসন। যদি এভাবে তারা করতে থাকেন, তবে এই কমিশন একটা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে না।
তিনি বলেন, আজকে সংবিধান লঙ্ঘন করে এবং আরও কয়েকটি আইন লঙ্ঘন করে অনেকগুলো বিতর্কিত প্রার্থীকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরী, তিনি ১২শ কোটি টাকা ঋণ খেলাপি, অথচ তাকে ঋণ খেলাপির গ্যারান্টার হিসেবে দায়মুক্তি দেওয়া হয়। এগুলো বিরুদ্ধে আমরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাবো।
আরএ