দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নির্বাচনের আগে ইস্ত্রি করা পাঞ্জাবি, লম্বা টুপি ইরি ক্ষেতে নেমে যাওয়ার হিপোক্রেসি মানুষ এখন বুঝে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব অভিযোগ করেন। এসময় ইসির আপিল শুনানি চলাকালে বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টুর অশোভন আচরণ এবং কমিশন কর্তৃক বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার তীব্র সমালোচনা করেন।
হাসনাত বলেন, ‘একাডেমিক পরিবেশে যখন আইনজীবীরা দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে যুক্তিতর্ক করছিলেন, তখন আব্দুল আউয়াল মিন্টু হঠাৎ মুসার দিকে তেড়ে যান এবং ‘ব্লাডি সিভিলিয়ান’, ‘ব্লাডি সিটিজেন’ বলে গালিগালাজ করেন। এমনকি পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে তার ছেলে তাবিথ আউয়াল তাকে কমিশন কক্ষ থেকে বাইরে নিয়ে যেতে বাধ্য হন।’
আব্দুল আউয়াল মিন্টুর আচরণের সমালোচনা করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘যারা এলিটিসিজম দেখাতে আসে, তারা যেন রাজনৈতিক এলিটিসিজম ঘরেই রেখে আসে। আপনি কাউকে ‘ব্লাডি সিটিজেন’ বলবেন, আবার তাদের কাছেই ভোট চাইবেন–সেটা হবে না।’
হাসনাতের অভিযোগ, আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মতো বিদেশে অর্থ পাচারকারী এলিট শ্রেণির একটি অংশ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষা করে। ‘রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যারা ব্যবসা করেন এবং সেফ এক্সিট নেন, তাদের আমরা ২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে দেখতে চাই না,’ বলেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কমিশন যদি এসব শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে মানুষের রক্ত দেওয়া বৃথা হবে। নির্বাচনের সময় টাকার জোরে সবকিছু ম্যানেজ করার সংস্কৃতি আর চলতে দেওয়া হবে না।
এবি/