দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল করিম খান।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
দোয়া মাহফিলে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অধ্যাপক আব্দুল করিম খান বলেন, দেশের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সংকটকালে দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে তার সুস্থতা অপরিহার্য।” তিনি মহান আল্লাহর দরবারে খালেদা জিয়ার পরিপূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন।
বিগত সরকারের সময় দীর্ঘ নির্যাতন ও নিপীড়নের কারণে খালেদা জিয়ার বর্তমান অবনতিশীল শারীরিক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে দাবি করে ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব বলেন, দীর্ঘ প্রতিকূলতা ও সীমাহীন চাপে তিনি বহু বছর ধরে বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। কিন্তু কঠিন বাস্তবতার মাঝেও তিনি যে দৃঢ়তা, সাহস ও আপসহীন নেতৃত্ব দেখিয়েছেন, তা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
দোয়া মাহফিলে দলের শীর্ষ নেতারা খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। পাশাপাশি দেশের সব নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানান তার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু এবং স্বাভাবিক জীবনে প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রার্থনা করতে।
এর আগে দুপুরে গুরুতর অসুস্থ খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। তারা চিকিৎসায় নিয়োজিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ডা. জাহিদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
উল্লেখ্য, ফুসফুসে সংক্রমণ ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত রোববার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন বেগম খালেদা জিয়া। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। এছাড়া পুরোনো কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসসহ জটিলতাও রয়েছে।
চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি লন্ডনে যান এবং সেখানে ১৭ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকেন। পরে লন্ডনে ছেলে তারেক রহমানের বাসায় দুই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আরও চিকিৎসা গ্রহণের পর ৬ মে দেশে ফেরেন।
২০১৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা দুই বছর কারাগারে থাকার সময় তিনি বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হন। মুক্তির পরও তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে দেওয়া হয়নি বলে বিএনপি অভিযোগ করে আসছে।
জে আই