দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান এমপিরা। তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব প্রার্থীর নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন। নির্বাচনের আগে এমন সমর্থন পেয়ে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তারেক রহমান।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
তারেক রহমান ওই পোস্টে লেখেন, ‘আমিসহ অনেক বাংলাদেশি অস্ট্রেলিয়ান এমপিদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই, যারা বাংলাদেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং নির্বাচনী অখণ্ডতার বিষয়ে স্পষ্টতা এবং বিবেকের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের সুচিন্তিত হস্তক্ষেপ সর্বজনীন গণতান্ত্রিক নীতি এবং বাংলাদেশি জনগণের কল্যাণের প্রতি গভীর প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে।’
‘দেশব্যাপী অনেক নাগরিকই রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু একটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। এই উদ্বেগগুলো সেইসব সাধারণ মানুষের, যারা শুধু স্থিতিশীলতা, ন্যায়বিচার এবং শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎ বেছে নেওয়ার সুযোগ চায়।’
তিনি ওই পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সবার নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য যে আহ্বান অস্ট্রেলিয়ান এমপিরা জানিয়েছেন, তা বাংলাদেশে বসবাসকারী সব নাগরিকের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে দৃঢ়ভাবে প্রতিধ্বনিত হয়। গণতন্ত্র তখনই শক্তিশালী হয়, যখন এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ এবং সহিংসতামুক্ত নির্বাচন হয়।’
তিনি আরও জানান, ‘অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের বাংলাদেশি প্রবাসীরা এই উদ্বেগগুলোকে সততার সঙ্গে প্রসারিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অস্ট্রেলিয়ান সমাজে তাদের অবদান এবং মাতৃভূমির সঙ্গে তাদের নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ আমাদের দুই দেশের মধ্যে অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছে। দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকে তাদের যে সমর্থন, তা থেকে বাংলাদেশিদের চ্যালেঞ্জ এবং আকাঙ্ক্ষা বিশ্বব্যাপী বোঝা যায়।’
পোস্টের শেষে তারেক রহমান লেখেন, ‘অস্ট্রেলিয়া এবং বাংলাদেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতার ভিত্তি ভাগ করে নেয়। আমরা অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধিদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই, যারা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন। তাদের সমর্থন আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বব্যাপী অঙ্গীকার সম্মিলিত। যখন সব জাতি একত্রিত হয়, তখন আমরা শান্তি, ন্যায়বিচার এবং অগ্রগতির দিকে একে অপরকে উৎসাহিত করতে পারি।’
আরএ