দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিদ্যুৎ খাতে বিগত সরকারের করা ইনডেমনিটি আইনকে ‘চৌর্যবৃত্তির আইন’ মন্তব্য করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি যদি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে অবশ্যই এ আইন বিলুপ্ত করবে।
শনিবার (১ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে ‘ক্যাব যুব সংসদ’ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, বিদ্যুৎ খাতের ‘ইনডেমনিটি আইন’ করা হয়েছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য। সেসময় বিদ্যুৎ খাতে লুটের ঝড় বয়েছিল, চৌর্যবৃত্তিকে আইনিকরণ করতে সেটা করা হয়েছিল। অবশ্যই এই আইন বিলুপ্ত করতে হবে। বিএনপি যদি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে অবশ্যই এই আইন বিলুপ্ত করবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তর মানব সভ্যতাকে বাঁচাতে অত্যন্ত জরুরি, সেটা বিবৃতি দিয়ে বলার কিছু নেই। আমাদের প্রধান উপদেষ্টা কপ সম্মেলনে ‘থ্রি জিরো’র কথা বলেছেন। যার মধ্যে কার্বন শূন্যের কথা বলেছেন। অনেক দেশ সেখানে করতালির মাধ্যমে আমাদের সমর্থন জানিয়েছে। তিনি বলেন, এ বছর আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি কমেছে যেটা অত্যন্ত দুঃখজনক। ফ্যাসিবাদী আমলে জীবাশ্ম জালানির কথা বলেই টাকা হরির লুট করেছে। বিদ্যুৎ খাতের ৩ ভাগের এক ভাগ টাকা লুট হয়ে গেছে। সেখানে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন যে গণবিরোধী সরকার করবে না সেটাই সাভাবিক। এ ক্ষেত্রে কাঁচা টাকা পকেটে আসবে না বলেই তারা সেদিকে মনোযোগ দেননি। বিএনপির ৩১ দফায় পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, এখন প্রশ্ন হলো পরবর্তী সরকার কি করবে? আমাদের (বিএনপি) ইশতেহার এখনও না আসলেও দলের প্রধান তার ৩১ দফায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির কথা বলেছেন। দেশকে পরিবেশবান্ধব করতে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে এবং তা প্রযুক্তির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও তিনি অঙ্গীকার করেছেন। নদী-খাল-বিলসহ ২০ হাজার কিলোমিটার জলভূমি নাব্যতার কথা বলেছেন। এগুলোকে আগের রূপে ফিরিয়ে আনতে হবে। রিজভী নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিষয়ে পরিকল্পনা প্রকাশের অনুরোধ জানিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক পরিবেশ বিবেচনায় পরিবেশকে সুস্থ রাখতে জ্বালানি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য এ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এই সরকার বিভিন্ন চুক্তি করেছেন, পুরোনো চুক্তি বাতিল করেছেন। তবে সে অনুযায়ী পরিকল্পনা কিভাবে বাস্তবায়ন করা হবে সেটা উল্লেখ করা প্রয়োজন। আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- অন্তবর্তীকালীন সরকারের মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, ডাকসুর জিএস ও ঢাবি শিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদ এবং 'ক্যাব যুব সংসদ' এর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা।
কে