দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে কড়াকড়ি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অনভিপ্রেত যেকোনো ঘটনা এড়াতে প্রবেশ পথের কিছুটা সামনেই অবস্থান নিয়েছেন বিজিবি সদস্যরা।
সোমবার রাত ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই কঠোর নিয়ন্ত্রণ চলবে টানা ৩৪ ঘণ্টা, যা বলবৎ থাকবে বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা পর্যন্ত।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান প্রবেশপথ ঘুরে দেখা গেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গেটে অবস্থান নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, নীলক্ষেত, পলাশী, ফুলার রোডসহ প্রতিটি প্রবেশপথে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি এবং আনসার সদস্যদেরও কড়া অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে।
বহিরাগত কেউ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে চাইলে প্রথমেই তাদের থামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এরপর পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা–কর্মচারী কিংবা অনুমোদিত কেউ কি না। বৈধ পরিচয়পত্র ছাড়া কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি শিক্ষক–কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদেরও তাদের আত্মীয়ের আইডি কার্ডের ফটোকপি দেখাতে হচ্ছে।
দেখা গেছে, সকাল থেকে অনেক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে ঢোকার সময় পরিচয়পত্র হাতে নিয়ে গেটে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে প্রবেশ করছেন। গেটের বাইরে সাধারণ মানুষ বা বাইরের কেউ ঢুকতে চাইলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের সঙ্গে কথা বলে ফিরিয়ে দিচ্ছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করা প্রতিটি যানবাহনেও চলছে তল্লাশি। শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত গাড়ি কিংবা জরুরি সেবায় নিয়োজিত গাড়িগুলোই গেট অতিক্রম করতে পারছে।
গেটে দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ সদস্য বলেন, আজ ডাকসু নির্বাচন হচ্ছে। এজন্য ক্যাম্পাসের ভেতরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের নির্দেশনা দেওয়া আছে—আইডি ছাড়া কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না।
ক্যাম্পাসের পরিবেশ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, প্রবেশপথে কঠোর নিয়ন্ত্রণ থাকলেও ভেতরে শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছেন। নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হয়ে যাওয়ায় ক্যাম্পাসে পোস্টার, ব্যানার ও প্রচারসামগ্রী চোখে পড়লেও এখন মূলত ভোটকেন্দ্রকেন্দ্রিক কার্যক্রম নিয়েই ব্যস্ত প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কে