• লাইভ টিভি
  • জাতীয় নির্বাচন ২০২৬
  • সোশ্যাল মিডিয়া
    ফেসবুক পেজ
    Desh TV News
    Desh TV
    Desh TV Drama
    Desh TV Entertainment
    Desh TV Music
    Desh TV Lifestyle
    ফেসবুক গ্রুপ
    Desh TV (Official)
    desh.tv Channel
    ইউটিউব চ্যানেল
    Desh TV News image/svg+xml
    Desh TV Entertainment image/svg+xml
    Desh TV Bulletin
    Desh TV Drama
    টিকটক
    Desh TV
    Desh TV Entertainment
    টুইটার Desh Television
    ইনস্টাগ্রাম Desh Television
    লিঙ্কডইন Desh Television
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • দেশ ফোরাম
  • English
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • প্রচ্ছদ
  • রাজনীতি
আবদুল কাদেরের পোস্টের জবাবে সাদিক কায়েম

স্ক্রিনশটে নাম থাকা কেউ শিবিরের পদে ছিল না

নিজস্ব প্রতিবেদক
  ০৪ আগস্ট ২০২৫, ১৩:৫৫

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ। 

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
অ- অ+
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

‘নিজেদের ছাত্রলীগ প্রমাণ করতে শিবিরের নেতাকর্মীদের নির্যাতন করতেন’—এমন অভিযোগ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদের। তার এই অভিযোগের বিরোধিতা করে পাল্টা পোস্ট দিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি এবং সংগঠনটির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আবু সাদিক কায়েম।

google news দেশ টিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

সোমবার (৪ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে আবু সাদিক কায়েম বলেন, ‘স্ক্রিনশটে যাদের নাম রয়েছে, তারা কেউই শিবিরের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫ আগস্টের পর থেকে তাদের কাউকে শিবিরের কোনো কর্মসূচি বা দায়িত্বে দেখা যায়নি। সুতরাং ‘ছাত্রলীগে লুকিয়ে থাকা শিবির’ রক্ষায় আমি সহায়তা করেছি—এই ন্যারেটিভ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’

তিনি আরও লেখেন, জুলাই বিপ্লবের পর দুটি বিষয় সামনে ছিল—এক, অপরাধের বিচার; দুই, বিচারের নামে নিরীহ কাউকে হয়রানি না করা। সে সময় অনেকেই জানান, তারা ছাত্রলীগে যুক্ত হলেও কোনো অপরাধে জড়িত ছিলেন না এবং তাদের নাম শুধু ব্যক্তিগত আক্রোশে মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে তথ্য যাচাই-বাছাই করা জরুরি হয়ে পড়ে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু অভিযোগ এনসিপির নেতা ও সংস্কার কমিশনের সদস্য আরমান হোসেন এবং মাহিনকে ফরওয়ার্ড করি। তাদের বলি—এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখে নিশ্চিত হতে, যেন নিরপরাধ কেউ ভিকটিম না হন।

সাদিক কায়েম আরও দাবি করেন, মামলার তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের নেতারা পারস্পরিক আলোচনা ও যাচাইয়ের ভিত্তিতে কাজ করেছেন। আবদুল কাদের নিজেও সেই প্রক্রিয়ার অংশ ছিলেন। “কাদের নিজেই বলেছেন, মামলার তালিকাগুলো পারস্পরিক আলোচনা করে প্রস্তুত করা হয়েছে। যদি নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ না হতো, তবে যাচাই-বাছাই কীভাবে সম্ভব হতো?”—যোগ করেন কায়েম।

তিনি আরও বলেন, সাঈদী নামের এক ছেলেকে মামলা থেকে রক্ষার জন্য আমি বিভিন্ন জায়গায় কল করেছি—এই দাবিও মিথ্যা। সে অপরাধী, তাকে রক্ষার কোনো প্রশ্নই আসে না। একইভাবে মুহসিন হলের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, সেটিও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাকে আমি চিনি না।

আবদুল কাদেরের পোস্টে উল্লেখ ছিল, চব্বিশ সালের সেপ্টেম্বরে মামলার পর শাহাদাত নামের একজনকে নিয়ে কেউ একজন ফেসবুকে পোস্ট করেন। এরপর ওই পোস্টদাতার সঙ্গে শিবিরের তৎকালীন সভাপতি সাদিক কায়েম যোগাযোগ করেন।

এই প্রসঙ্গে কায়েম বলেন, যদি আমি ফোন দিতেই চাইতাম, তা হলে মামলা হওয়ার আগেই দিতাম। মামলা হওয়ার পরে কেউ একজন ফেসবুকে পোস্ট করলে, তাকে ফোন দেওয়ার কোনো কারণ ছিল না।

পোস্টে কায়েম আরও উল্লেখ করেন, অনেকে আছেন যারা এক সময় শিবিরে যুক্ত ছিলেন, তামিরুল মিল্লাতে পড়ার সময় সংগঠনের কোনো আয়োজনে অংশ নিয়েছেন, পরবর্তীতে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিবিরবিরোধী অবস্থানে গিয়ে ছাত্রলীগ বা অন্য সংগঠনে যুক্ত হয়েছেন। কিন্তু এখন শিবিরবিরোধী অবস্থান থেকে তারা শিবিরকেই দোষারোপ করছেন। এটি আত্মবিরোধী অবস্থান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ক্রিনশট প্রকাশ নিয়ে তিনি বলেন, যে চ্যাটের স্ক্রিনশট আবদুল কাদের প্রকাশ করেছেন, তা আসলে তার সঙ্গে নয়, এনসিপির অন্য সদস্যদের সঙ্গে হয়েছে। তৃতীয়পক্ষের ব্যক্তিগত আলাপ চুরি করে বিকৃতভাবে প্রকাশ করাটা রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এতে অবিশ্বাস ও অনাস্থার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় রাজনীতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, স্ক্রিনশট পলিটিক্স শুরু হলে এনসিপি-বাগছাসে থাকা অনেক ‘শিবিরবিরোধী’র রাজনীতি হুমকিতে পড়বে, যাদের অতীতেও শিবির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

এর আগে, রোববার (৩ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনেন গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের।

ওই পোস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ছাত্রলীগের হয়ে শিক্ষার্থীদের নির্যাতন-নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন হলের বেশ কয়েকজনকে ছাত্রশিবির সংশ্লিষ্ট হিসেবে পরিচয় সামনে আনেন তিনি।

পোস্টে আবদুল কাদের অভিযোগ করেন, হলে থাকার কারণে ছাত্রশিবিরের যে সদস্যরা সক্রিয়ভাবে ছাত্রলীগ করতেন, তারা মূলত ‘আত্মপরিচয়ের সংকট’ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য কিছু ক্ষেত্রে অতি উৎসাহী কর্মকাণ্ডে জড়াতেন। নিজেকে ছাত্রলীগ প্রমাণ করার দায় থেকেই তাঁরা ছাত্রলীগের নিপীড়ন-নির্যাতনের অংশীদার হতেন এবং ছাত্রলীগের সংস্কৃতিই চর্চা করতেন।

আবদুল কাদের আরও অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগের হয়ে নিপীড়ন-নির্যাতন চালানো এমন কয়েকজনের বিষয়ে শিবিরের তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাদিক কায়েম ফোন কল দিয়ে তদবিরও করেছিলেন।

যাদের বিষয়ে অভিযোগ: আবদুল কাদের তাঁর পোস্টে বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন- মাজেদুর রহমান (বিজয় একাত্তর হল) : ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী শাহরিয়াদকে রাতভর মারধরের ঘটনায় নেতৃত্ব দেন। আবদুল কাদেরের দাবি, তিনি একই মাদ্রাসায় পড়ার সুবাদে জানতেন মাজেদুর ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, কিন্তু ক্যাম্পাসে এসে ‘ভয়ংকর নিপীড়ক’ হয়ে ওঠেন।

মুসাদ্দিক বিল্লাহ (ঢাবি ছাত্রলীগ দপ্তর সম্পাদক): ২০১৭-১৮ সেশনের এই নেতাকে আবদুল কাদের তাঁর জেলার বলে উল্লেখ করেছেন, যাঁর পরিবার জামায়াতপন্থী এবং তিনি নিজেও শিবিরের সাথী ছিলেন। তবে ‘পদ-পদবির জন্য তিনি কট্টর ছাত্রলীগ’ হয়ে ওঠেন এবং পূর্বে কোনো কমিটিতে না থেকেও সরাসরি ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক পদ পান।

আফজালুন নাঈম (জসীমউদ্‌দীন হল) : ২০১৬-১৭ সেশনের এই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে গেস্টরুমে দুর্ব্যবহার ও নিপীড়নের অভিযোগ এনেছেন আবদুল কাদের। তিনি উল্লেখ করেন, এই নাঈম এখন জামায়াত-শিবিরের ‘আইকন’ শিশির মনিরের বিশেষ সহকারী।

ইলিয়াস হোসাইন (মুজিব হল) : ২০১৬-১৭ সেশনের এই নেতা জুনিয়রদের কাছে ‘ত্রাসের নাম’ ছিলেন। মিছিল-মিটিংয়ে যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ চাপ দিতেন, গেস্টরুমে ‘অসহ্য মেন্টাল টর্চার’ করতেন এবং ছাত্রলীগের পদও পেয়েছিলেন। ৫ আগস্টের পর এই ইলিয়াস ‘শিবিরের বড় নেতা’ হিসেবে আবির্ভূত হন এবং এখন শিবিরের ‘ইমামদের’ সঙ্গে চলাফেরা করেন।

মো. শাহাদাত হোসেন ওরফে সোহেল (মুহসীন হল) : ২০১৭ সালে ইসলামিক পেজে লাইক দেওয়ায় শিবির সন্দেহে পাঁচ শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতনের মাধ্যমে হলছাড়া করার ঘটনায় অভিযুক্ত ১৩ ছাত্রলীগ নেতার একজন। আবদুল কাদেরের দাবি, শাহাদাত ‘শিবির হিসেবে সর্বমহলে পরিচিত’ ছিলেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে এই মামলা হওয়ার পর সাদিক কায়েম শাহাদাতকে নিয়ে পোস্টকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তদবির করেন।

হাসানুল বান্না (জহুরুল হক হল) : ২০২১-২২ সেশনের এই শিক্ষার্থীকে আবদুল কাদের ‘গুপ্ত শিবির’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যাঁরা ছাত্রলীগের হল ক্যান্ডিডেটদের পেছনে থেকে ‘তেলবাজি ও চাটুকারিতায় অনন্য’ ছিল। ৫ আগস্টের পর বান্না শিবিরের সদস্য সম্মেলনে গিয়ে নিজেকে সদস্য হিসেবে প্রকাশ করেন এবং এখন শিবিরের জহুরুল হক হল শাখার ‘বড় নেতা’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন।

রায়হান উদ্দিন (স্যার এ এফ রহমান হল) : ২০১৮-১৯ সেশনের এই শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং হল ক্যান্ডিডেটের ‘একনিষ্ঠ অনুসারী’ ছিলেন। আবদুল কাদেরের দাবি, এই রায়হান ৫ আগস্টের পর শিবিরের ‘বড় নেতা’ হিসেবে হাজির হয়েছেন এবং তার আগের ফেসবুক আইডি মুছে ফেলেছেন।

হাসান সাঈদী (বিজয় একাত্তর হল) : আবদুল কাদেরের অভিযোগ, এই সাঈদী শিবিরের সাথী ছিলেন এবং পরে একাত্তর হল ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। নিজেকে ‘লীগার’ প্রমাণ করতে তিনি ‘উগ্রপন্থা’ বেছে নেন এবং কাগজপত্রে নাম পরিবর্তন করে ‘সাঈদ’ রাখেন। অবশেষে তিনি একাত্তর হল ছাত্রলীগের উপদপ্তর সম্পাদক হন। আবদুল কাদের আরও উল্লেখ করেন, সাঈদীসহ কয়েকজন ছাত্রলীগার মিলে দুই ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে তিন দিন আটকে রেখেছিলেন, যার জন্য তিনি গ্রেপ্তার ও ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত হন। জুলাইয়ের ১৫ তারিখে ছাত্রলীগের হামলায় আহত শিক্ষার্থীরা ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে গেলে সাঈদী সেখানে গিয়েও আহতদের ওপর হামলা করেন। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় সাঈদী ক্যাম্পাসের বাইরে পরীক্ষা দিতে গেলে শিক্ষার্থীরা তাঁকে আটক করেন। তখন শিবিরের তৎকালীন ঢাবি সভাপতি সাদিক কায়েম তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তদবির করেন।

৫ আগস্ট-পরবর্তী পরিস্থিতি: আবদুল কাদের তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, শিবিরের কৌশলগত জায়গা থেকেই তাঁরা ছাত্রলীগের বড় পদ নিতেন। হল ক্যান্ডিডেট বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্ডিডেট হওয়ার কারণে তাঁদের ছাত্রলীগের স্টাইল অনুসরণ করতে হতো। শিক্ষার্থীদের গণরুম, গেস্টরুম, জোরপূর্বক মিছিল-মিটিংয়ে ধরে নিয়ে যাওয়ার কাজ তাঁরা ‘একিনের’ সঙ্গে করতেন, যার উদ্দেশ্য ছিল পদ পাওয়া।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর হলে হলে ব্যাচ প্রতিনিধি ও শৃঙ্খলা কমিটি হয় শিবিরের ‘প্রেসক্রিপশনে’। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে অনলাইনে ভোটাভুটি করে অধিকাংশ ব্যাচ প্রতিনিধি শিবির নিজেদের লোকজনকে নির্বাচিত করে। এই ব্যাচ প্রতিনিধিরাই পরবর্তীকালে ‘ছায়া প্রশাসন’ হিসেবে কাজ করে এবং ৫ আগস্টের পর ছাত্রলীগের নামের তালিকা তৈরির দায়িত্ব নেয়, যেখানে তারা নিজেদের ‘সাথী ভাইদের’ তালিকার বাইরে রাখে।

জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে মাহিম সরকার ও আরমান হোসেন বাদী হয়ে দুটি মামলা করেন। আবদুল কাদেরের অভিযোগ, এই দুই মামলার বাদীর সঙ্গে শিবিরের সাদিক কায়েম সরাসরি দেখা করে কয়েকজনের নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য তদবির করেন। আরমান পরবর্তীকালে খোঁজ নিয়ে দেখেন, সাদিক কায়েম যাঁদের নাম বাদ দিতে বলেছিলেন, তাঁরা শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

শিবিরের প্রতিক্রিয়া: ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি এবং বর্তমান কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আবু সাদিক কায়েম এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি গতকাল রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কাদেরের সঙ্গে এসব বিষয়ে আমার কোনো কথা হয়নি। তিনি ফেসবুকে যেগুলো লিখেছেন, সেগুলো সত্য নয়। মামলার বিষয়ে আমি আরমানকে মেসেজ দিয়েছিলাম খোঁজ নিয়ে দেখতে, যেন কোনো নির্দোষ শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার না হন।’

আরও পড়ুন

শিবিরের নেতা-কর্মীরা নির্যাতনে ছাত্রলীগের অংশীদার হতেন: আবদুল কাদের 

ঐকমত্য কমিশনের ১২টিতে সরাসরি একমত বিএনপি:সালাহউদ্দিন আহমেদ

তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদেরের অভিযোগ, এই ‘তদবির-কাণ্ডের’ কারণে জুলাইয়ের অঙ্গীকার রক্ষা করা যায়নি। তিনি তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘সবাই সবার দলীয় মানুষজনকে বাঁচিয়ে দিতে গিয়ে জুলাইয়ের সন্ত্রাসীদের মুক্তি দিয়ে দিছে। শিবির অস্বীকার করতেছে, তাদের কোনো নেতা-কর্মী গুপ্তভাবে লীগের ভেতরে ঢুকে লীগের কালচার চর্চা করেনি। তারা আমাদের কাছে প্রমাণ চাচ্ছে; কিন্তু শিবির তাদের বিগত এক যুগের হল কমিটি এবং ঢাবি শাখার কমিটি প্রকাশ করুক। তাহলেই তো মানুষজন ক্লিয়ার হতে পারে, শিবির ছিল কি ছিল না। বর্তমানের হল কমিটিও তো প্রকাশ করতে পারে। ৫ তারিখের পর তাদের ভয় কিসের? নাকি তাদের কৃতকর্ম প্রকাশিত হয়ে যাবে, সেই ভয়ে প্রকাশ করতেছে না! হলে হলে এখন শিবিরের হয়ে মাদবরি করা মানুষের পূর্বের চেহারা প্রকাশ হয়ে যাবে!’

পোস্টের সঙ্গে সাদিক কায়েম যে মামলার বিষয়ে বাদীর কাছে তদবির করেছেন, সেই কথোপকথনের একটি স্ক্রিনশটও যুক্ত করেছেন আবদুল কাদের। এ ছাড়া কমেন্টে উল্লেখ করেছেন, ‘পোস্টে উল্লেখিত প্রতিটা ঘটনার তথ্যপ্রমাণ আমার কাছে আছে। কিছু ঘটনার নিউজ আছে।’

কে

  • সাদিক কায়েম
  • আব্দুল কাদের
এ সম্পর্কিত আরও খবর
মধ্যরাতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা সাদিক কায়েমের
মধ্যরাতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা সাদিক কায়েমের
রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার অভিযোগ সাদিক কায়েমের
রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার অভিযোগ সাদিক কায়েমের
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীরা বেশি নিরাপদ থাকবে: সাদিক কায়েম
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীরা বেশি নিরাপদ থাকবে: সাদিক কায়েম
একটি দল বেপরোয়া ও সংঘাতমুখী পথে অগ্রসর হচ্ছে: সাদিক কায়েম
একটি দল বেপরোয়া ও সংঘাতমুখী পথে অগ্রসর হচ্ছে: সাদিক কায়েম
আমাদের জানুন শর্তাবলী গোপনীয়তার নীতি যোগাযোগ বাংলা কনভার্টার আর্কাইভ

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।