দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন বলেছেন, এই ধরনের মূর্খ উপদেষ্টা বাংলাদেশের ইতিহাসে কেউ কখনো দেখেনি।
বুধবার (১৫ জুন) ইশরাকের অনুসারীরা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে করা অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, বর্তমান স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা ক্রমাগত মিথ্যাচার করেছে আমাদের এই আন্দোলন নিয়ে। তিনি বারবার বলেছেন, এখানে আইনি জটিলতা রয়েছে, সাবজুডিস ম্যাটার রয়েছে এবং অন্যান্য কথা বলেছেন। অথচ দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ থেকে এই বিষয়টি বহু আগেই মীমাংসা হয়ে গেছে। তারপরেও যদি বলেন এখানে আইনি জটিলতা রয়েছে, তাহলে আমি বলব যে এই ধরনের মূর্খ উপদেষ্টা বাংলাদেশের ইতিহাসে কেউ কখনো দেখেনি।
তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি বর্তমান সরকারের কানে দেশের সবার দাবি পৌঁছায়, কিন্তু আমাদের ঢাকা দক্ষিণ সিটি বাসীর দাবি কেন জানি তাদের কানে পৌঁছায় না। এই ব্যাপারে তারা দেখেও দেখছে না, শুনেও শুনছে না। আমরা বলতে চাই, এই ধরনের নব্য স্বৈরাচারী মনোভাব যে বর্তমান সরকার দেখিয়েছে, এটা আসলে আমাদের সবাইকে হতবাক করেছে। কীভাবে আমাদের এই আন্দোলনকে দমানো যায়, বিতর্কিত করা যায় এবং জনগণের সামনে ভুলভাবে আমাদের কার্যক্রমকে উপস্থাপন করা যায়, সেই চেষ্টায় তারা লিপ্ত হয়েছে।
ডিএসসিসি মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানোর দাবি নিয়ে নগর ভবনে চলমান আন্দোলনের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ষড়যন্ত্র করছেন অভিযোগ করেন ইশরাক হোসেন।
তিনি বলেন, আসিফ মাহমুদ সরাসরি নগর ভবনের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গাড়িগুলোতে যাতে জ্বালানি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ডিএসসিসিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বন্ধ করা গেলে এর দায় পড়বে আন্দোলনকারীদের ওপর। তাঁর এই ষড়যন্ত্র আন্দোলনকারীরা ব্যর্থ করে দিয়েছেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা যেদিন থেকে আন্দোলন শুরু করেছি, সেদিন থেকে এক সেকেন্ডের জন্য ডিএসসিসির কোনো জরুরি সেবা বন্ধ হয় নাই। উপরন্তু আমরাই নিশ্চিত করেছি, যাতে এই সেবাগুলো চালু থাকে। এসব সেবা নিয়ে যাতে জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি না হয়। এর মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, টিকাদান কর্মসূচিসহ আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোতে যে ধরনের জরুরি সেবা দেওয়া হয়ে থাকে, সবকিছু কিন্তু আমরাই বলে রেখেছি যে জনগণ যাতে সেবাগুলো পেয়ে থাকে।’
মেয়র হিসেবে শপথ পরানোর দাবিতে আন্দোলন চলমান থাকবে জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আন্দোলনে নগরবাসীর দুর্ভোগ যাতে আর না বাড়ে, তার জন্য আমরা পদক্ষেপ নেব। আমরা গতকাল মঙ্গলবার বিভিন্ন ওয়ার্ড সচিবের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছি। আমরা তাদের নির্দেশনা দিয়েছি, প্রতিটি ওয়ার্ডে যাতে তারা জন্ম-মৃত্যু-নাগরিক সনদগুলো জমা দেন। এরপর আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সেটা দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তি করে যাতে নাগরিকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়।’