দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রথমবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই আকন্দ। তবে জোটগত সমঝোতার কারণে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জাতীয় পার্টির (জাপা) সালাহউদ্দিন আহমেদকে আসনটি ছেড়ে দিতে হয়।
একই দিনে মারা যান আব্দুল হাই আকন্দের ছোট ভাই অধ্যাপক আব্দুল লতিফ আকন্দ। একসঙ্গে দুই দুঃসংবাদে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। তারপরও দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্ত মেনে নেন আব্দুল হাই। সংবাদ সম্মেলন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান ও নেতাকর্মীদের বিচলিত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেন আবদুল হাই আকন্দ ও তার মেয়ে জান্নাতুল নাঈমা আকন্দ।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে আব্দুল হাই আকন্দ বলেন, আমার আসনে জাতীয় পার্টির যে প্রার্থীর কাছে নৌকা ছেড়ে দিতে হলো তার কুকর্মের ফিরিস্তি দিয়ে এসেছি নেত্রীর কাছে।
তিনি বলেন, আমাকে নেত্রী বলেছেন একটু ধৈর্য ধরেন, আমি দেখব আপনাকে। নেত্রী যে এই মুহূর্তে এতো চাপের মধ্যেও আমাকে সময় দিয়েছেন, তাতে আমি খুবই খুশি। নেত্রীর আশ্বাসে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
আব্দুল হাই আকন্দ আরও বলেন, আমার মেয়ের সঙ্গে অনেক সুন্দর আচরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী, মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছেন। আমার মেয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মুন্নুজান হল ছাত্রলীগের সভাপতি থাকাকালীন একটি ম্যাগাজিন বের করেছিল। সেটি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিয়েছে।
তিনি বলেন, আমার মেয়েটা বহুদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাচ্ছিলো। কিন্তু বিভিন্ন প্রটোকলের ঝামেলায় সেটা আর হয়ে উঠেনি। এবার দেখা করতে পেরে সে খুবই উচ্ছ্বসিত।
আব্দুল হাই আকন্দ আরও বলেন, সংবাদ সম্মেলনে দলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছি। যদিও সংবাদ সম্মেলনের দরকার ছিল না। কিন্তু কর্মী-সমর্থকরা যাতে মনঃক্ষুণ্ণ না হয়, সেজন্য করেছিলাম। আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন।
ডিপি/টি