দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবারও অংশগ্রহণমূলক হওয়ার মতো তেমন কিছু পাওয়া যাচ্ছে না বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য ৭৬টি সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এসব মন্তব্য করেন।
‘গণতন্ত্র, সুশাসন ও শুদ্ধাচার চর্চার রাজনৈতিক অঙ্গীকার: টিআইবির সুপারিশমালা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে ও পরে পরিমাপকগুলোর ওপর ভিত্তি করে আমরা যে পর্যবেক্ষণ করেছি, তাতে এ ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে যে, সত্যিকার অর্থে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে যা বোঝায়, সেটি আমরা এবারও পাচ্ছি না। এটি আমাদের উদ্বেগের বড় কারণ।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনসহ তথ্য অধিকার ও আইনের শাসন নিয়ে ৯টি ক্ষেত্রে ৭৬টি সুপারিশ করেছে টিআইবি।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ ৫২ বছরে দারিদ্র বিমোচন, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, তথ্য-প্রযুক্তি ও আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তবে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। বিভিন্ন সময়ে অগণতান্ত্রিক শক্তির উত্থানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত হয়েছে।
সুপারিশমালা তুলে ধরার প্রেক্ষাপটে বলা হয়, আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় সুশাসন ও শুদ্ধাচার চর্চা গুরুত্বপূর্ণ হলেও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, আইনের শাসন, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত শাসন প্রক্রিয়া নিশ্চিতকরণের জনপ্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
কেএইচ