দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ছাত্রলীগের নেতাদের পেটানোর ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া রমনা বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদকে নিয়ে করা দলটির সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগের একটি পুরোনো ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। পোস্টে তিনি এডিসি হারুনকে ছাত্রলীগের সাবেক উপ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর সাবেক জিএস গোলাম রাব্বানী বলছেন অন্য কথা। তিনি জানালেন, এডিসি হারুন ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) এডিসি হারুন অর রশিদের বাবা, মা এবং জন্মস্থান উল্লেখ করে পোস্টটি করেছেন রাব্বানী। আর সাইফুর রহমান সোহাগ পোস্টটি করেছেন ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি।
গোলাম রাব্বানীর ফেসবুক পোস্ট
রাব্বানী জানান, হারুর অর রশিদের বাড়ি সাতক্ষীরায়। তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জামাল উদ্দিন ও মাতা শেফালী বেগম দুজনেই জামায়াত সমর্থক। তার (হারুন) নানা মৃত আলী সানা মুসলিম লীগার ও সক্রিয় জামায়াত নেতা ছিলেন। মামা হুমায়ুন কবির, ও মিলন বিএনপি সক্রিয় কর্মী। এছাড়া, বাবা ও মায়ের পরিবারের সবাই বিএনপি-জামায়াত সমর্থক।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর জিয়া হল ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাকের রুমমেট ছিলেন এডিসি হারুন এবং তার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে ছাত্রদলের রাজনীতি করেছেন তিনি।
কোন কক্ষে (৩১০) থাকতেন এডিসি হারুন সেটাও উল্লেখ করে দিয়েছেন রাব্বানী।
গোলাম রাব্বানী বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনের পরে জিয়া হলের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ও পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহযোগী হিসেবে ছাত্রলীগ তকমা লাগান হারুন অর রশিদ। নিজের আখের গোছাতে এসব করছেন এডিসি হারুন, এমনটাই দাবি করেছেন ছাত্রলীগের এই সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
সাইফুর রহমান সোহাগের করা ফেসবুক পোস্ট
প্রসঙ্গত, শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাবির ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈম এবং বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবির শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিমকে শাহবাগ থানায় নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে এডিসি হারুনের বিরুদ্ধে। নারীঘটিত ঘটনার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
থানায় নির্যাতনের পর তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও নাঈমের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বর্তমানে নাঈম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। নির্যাতনের ফলে তার সামনের সব দাঁত ভেঙে গেছে বলে জানানো হয়।
জেডএ