দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য ও সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘হুজ হু বাংলাদেশ-২০২৬’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘শিল্প ও সাহিত্য’ বিভাগে সম্মাননা পেয়েছেন কথাসাহিত্যিক রাহিতুল ইসলাম।
শনিবার রাতে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী। তিনি ও অভিনেত্রী গুলশান আরা আক্তার চম্পা যৌথভাবে রাহিতুল ইসলামের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক কথাসাহিত্যে নতুন ধারা সৃষ্টির স্বীকৃতিস্বরূপ রাহিতুল ইসলামকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক নানা দিক সহজ ভাষায় গল্প-উপন্যাসের মাধ্যমে তুলে ধরছেন।
তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— ‘সুখবর বাংলাদেশ’, ‘চরের মাস্টার কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার’, ‘ফ্রিল্যান্সার নাদিয়া’, ‘আউটসোর্সিং ও ভালোবাসার গল্প’, ‘হ্যাকার হিমেল’, ‘কল সেন্টারের অপরাজিতা’, ‘দুই ভুবনের মানুষ’ এবং সাম্প্রতিক উপন্যাস ‘বাদলের কারাবাস’। তার অনেক গল্প নাটক ও টেলিফিল্ম হিসেবেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
পুরস্কারপ্রাপ্ত অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন— কৃষিতে অধ্যাপক ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, শিল্প ও সংস্কৃতিতে ফরিদা আক্তার পপি, শিক্ষায় মনসুর আহমেদ চৌধুরী, উদ্যোক্তা (পুরুষ) হিসেবে এরশাদ উল্লাহ, উদ্যোক্তা (নারী) হিসেবে কনা আলম, পেশাজীবীতে শাখাওয়াত হোসেন, কর্পোরেটে জসিম উদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিকতায় শফিক আহমেদ, ক্রীড়ায় সাঈদ উর রব, সমাজসেবায় শান্তি শ্রী এবং আজীবন সম্মাননায় শহিদুল আলম।
পুরস্কারপ্রাপ্তির পর প্রতিক্রিয়ায় রাহিতুল ইসলাম বলেন, ‘যে লেখা মানুষের কল্যাণে আসে, সেটিই প্রকৃত সাহিত্য।’ তিনি তার সাম্প্রতিক উপন্যাস ‘বাদলের কারাবাস’-এর প্রসঙ্গ তুলে ধরে এক নির্দোষ ব্যক্তির দীর্ঘ কারাবাসের বিষয়টি উল্লেখ করেন এবং তার মুক্তির দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে প্রখ্যাত সাংবাদিক শাইখ সিরাজসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ‘হুজ হু’ ১৮৪৯ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে গুণীজনদের জীবনী প্রকাশ ও সম্মাননা প্রদান করে আসছে। বাংলাদেশে ২০১৬ সাল থেকে প্রতি দুই বছর অন্তর এই আয়োজন করা হচ্ছে।
এমএস/