দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নতুন বছর শুরু হতে আরও তিন মাস বাকি। এরই মধ্যে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের আগ্রহ ২০২৭ সালের ক্যালেন্ডার ঘিরে। কবে শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান, তা নিয়ে কৌতূহল রয়েছে অনেকের। বর্তমান জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি। সেই হিসাবে রমজান শুরু হতে আর ১৫০ দিনেরও কম সময় বাকি। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে নতুন চাঁদ দেখার ওপর।
সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানিয়েছে, গত শনিবার শুরু হয়েছে ১৪৪৮ হিজরি সনের রবিউস সানি মাস। এর মধ্য দিয়ে রমজান শুরুর অপেক্ষা শেষ পাঁচ চন্দ্রমাসে এসে পৌঁছেছে। পবিত্র মাসটি শুরু হতে আর ১৪৬ দিন বাকি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রবিউস সানি মাসের চতুর্থ দিন। বর্তমান জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি)। তবে চাঁদ দেখার ওপরই নির্ভর করবে রমজান শুরুর চূড়ান্ত তারিখ।
মূলত গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের একই তারিখে পরপর দুই বছর রমজান শুরু হয় না। কারণ ইসলামি ক্যালেন্ডারে মাসের হিসাব চাঁদ দেখার ভিত্তিতে করা হয়। ইসলামি বছর ৩৫৪ দিনের, যা গ্রেগরিয়ান বছরের চেয়ে প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন কম। এ কারণে প্রতিবছর রমজান আগের বছরের তুলনায় কিছুটা আগে শুরু হয়।
এভাবে প্রতিবছর রমজানের তারিখ প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন করে এগিয়ে আসে। ফলে প্রায় ৩৩ বছরের মধ্যে বছরের সব ঋতুতেই মুসলমানরা রমজান পালনের সুযোগ পান।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, রোববার সন্ধ্যায় রমজানের নতুন চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। ওইদিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে সেদিন রাতেই প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করা হবে এবং পরদিন সকাল থেকে মুসলমানরা রোজা রাখা শুরু করবেন।
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে রমজান মাস ২৯ অথবা ৩০ দিন হতে পারে। এরপর শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেলে ঈদুল ফিতর পালিত হবে। ২০২৭ সালের ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ধরা হচ্ছে বুধবার, ১০ মার্চ। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে নতুন চাঁদ দেখার ওপর।
পবিত্র রমজান ইসলামি ক্যালেন্ডারের নবম মাস। মুসলমানদের কাছে এটি বছরের সবচেয়ে পবিত্র সময় হিসেবে বিবেচিত। এই মাসেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআনের প্রথম আয়াত নাজিল হয়েছিল।
রমজান মাসজুড়ে মুসলমানরা ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করেন। এ সময় নামাজ, দান-সদকা, আত্মসংযম এবং পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনের ওপরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এমএম/