• লাইভ টিভি
  • জাতীয় নির্বাচন ২০২৬
  • সোশ্যাল মিডিয়া
    ফেসবুক পেজ
    Desh TV News
    Desh TV
    Desh TV Drama
    Desh TV Entertainment
    Desh TV Music
    Desh TV Lifestyle
    ফেসবুক গ্রুপ
    Desh TV (Official)
    desh.tv Channel
    ইউটিউব চ্যানেল
    Desh TV News image/svg+xml
    Desh TV Entertainment image/svg+xml
    Desh TV Bulletin
    Desh TV Drama
    টিকটক
    Desh TV
    Desh TV Entertainment
    টুইটার Desh Television
    ইনস্টাগ্রাম Desh Television
    লিঙ্কডইন Desh Television
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • দেশ ফোরাম
  • English
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • প্রচ্ছদ
  • মতামত

রক্তাক্ত বাংলাদেশ ১৯৭১ থেকে ২০২৫

দেশ টিভি ডেস্ক
  ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:৩৩

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ। 

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
অ- অ+
ছবি: মোঃ আব্দুর রাজ্জাক 
ছবি: মোঃ আব্দুর রাজ্জাক 

বাংলা মা আজ বড় ক্লান্ত। দেহ থেকে রক্ত ঝরতে ঝরতে সম্পূর্ণ দেহটা রক্তবর্ণ ধারণ করেছে। সেই ১৯৭১ সাল। লক্ষ লক্ষ মানুষের তাজা রক্তের বিনিময়ে বাংলা মা জন্মগ্রহণ করেছিল। তার জন্মটা সুখকর ছিল না। ছিল খুবই কষ্টের ও বেদনার। তার সন্তানেরা ছিল অকুতোভয়। রক্তে স্নাত সবুজ ঘাস মাড়িয়ে জন্ম নিয়েছিল লাল সবুজ পতাকা। বাংলা মায়ের বুকে স্বামীহারা সন্তান হারা পিতৃহারা ও বীরাঙ্গনা দের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে প্রকম্পিত হয়েছিল।

google news দেশ টিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

দিন মাস ও বছর ঘুরে এলো ১৯৭৩ সাল। যুদ্ধে বিধ্বস্ত ক্ষতবিক্ষত শরীর নিয়ে বাংলা মা ততক্ষণে শোক ও দুঃখ কে শক্তিতে পরিণত করে বুকে আশার সঞ্চার তৈরি করে বেঁচে থাকার অদম্য আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিধি বাম। ১৯৭৪ সাল। চারিদিকে দুর্ভিক্ষ ক্ষুধার্ত মানুষের হাহাকার ডাস্টবিনে কুকুর ও বুভুক্ষু মানুষের পঁচা খাবার নিয়ে কাড়াকাড়ি লজ্জা-নিবারণের জন্য বস্ত্রের অভাব। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য শেখ মুজিবুর রহমান অসহায় কঙ্কালসার মানুষের অন্নের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিদেশ থেকে সাহায্য নিয়ে এসেছিলেন।

দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে ভোখা নাঙ্গা মানুষের নিকট পৌছাবার আগেই তা লুটপাট হয়ে যায়। তাইতো তিনি দুঃখ করে বলেছিলেন আমি বিদেশ থেকে সাহায্য যা নিয়ে এসেছি চাটার দলেরা সব চেটে খেয়ে ফেলেছে। পৃথিবীর অনেক দেশ পেয়েছে সোনার খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি।

এক কথায় তিনি দেশ চালাতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন। তার আত্মীয়-স্বজন ও কাছের লোকেরা তার সুনাম ও মর্যাদা নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট ছিল। যা তিনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। ভারতের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের সখ্যতা কে আমেরিকা ভালো চোখে দেখেননি। সর্বোপরি ঢাকা অফিসার্স ক্লাবে মেজর ডালিমের স্ত্রীর সাথে গাজীর লোকেদের অসৌজন্য মূলক আচরণ চরম অসন্তোষ ও তিক্ততায় রূপ লাভ করে। মেজর ডালিম অভিযোগ ও বিচার দাবি করলে শেখ মুজিবুর রহমান সুষ্ঠু সমাধান না করে পক্ষপাত মূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ১৯৭৫ সালে ১৫ ই আগস্ট অবসরপ্রাপ্ত কিছু সামরিক অফিসার দ্বারা তিনি নিহত হন।

তিন নভেম্বর ১৯৭৫। মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটলো। শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা না দিয়ে পাকিস্তানের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তার স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রত্যক্ষ কোন ভূমিকা না থাকলেও চার নেতা যথাক্রমে জনাব সৈয়দ নজরুল ইসলাম জনাব তাজ উদ্দিন আহমেদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী জনাব মোঃ কামরুজ্জামান তাদের অনবদ্য ভূমিকা ছিল। জেলখানায় তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো ।বাংলা মা আবারও রক্তাক্ত হলো।

শোকে কাতর দুঃখে ভারাক্রান্ত সমস্যায় জর্জরিত এই ভার আর বাংলা মা বহন করতে পারছিল না। জাতির এই ক্রান্তি লগ্নে আল্লাহর রহমতে বাংলা মায়ের কোলজুড়ে আলোকিত করে জন্ম নিলো এক মহানায়কের। নাম তার জিয়াউর রহমান। লক্ষ কোটি মানুষের কর্ণ কুহুরে বাজতে লাগলো ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণা আমি মেজর জিয়া বলছি। মানুষেরা খুশি হল আনন্দিত হল আশায় সঞ্চার ফিরে পেল। বাংলা মায়ের হাতে নিভু নিভু প্রদীপ আবার জ্বলে উঠলো।

স্বাধীনতার অপর নাম জিয়াউর রহমান। দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে খাওয়া-দাওয়া বিশ্রাম ভুলে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া রূপসা থেকে পাথুরিয়া ঘর্মাক্ত শরীর নিয়ে জনগণকে জাগিয়ে তুলতে লাগলেন। খাল খনন কর্মসূচি খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ দেশে পড়ে থাকা জায়গাটাকে আবার যোগ্য করা মায়েদের জন্য বাড়ির সামান্য জায়গাটুকু সবজি চাষ সহ হাঁস মুরগি খামার তৈরি করে কৃষি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছিলেন। বয়স্ক দের জন্য নৈশশিক্ষা সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সকলকে একত্রিত করে দেশের উন্নয়নে সরকারকে সাহায্য করতে আহ্বান জানিয়ে সফল হয়েছিলেন। তলাবিহীন ঝুড়ির ধারণা বদলিয়ে উন্নয়নের রূপকার হিসেবে দেশের মানুষদের মনের গভীরে জায়গা করে নিয়েছিলেন। এ যেন স্বর্গ থেকে নেমে এসেছেন পথহারা পথিকদের পথের সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে। পাড়া মহল্লায় গ্রামেগঞ্জে পথে প্রান্তরে শহরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মসজিদ মন্দিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু একটি নাম জিয়াউর রহমান।

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একদলীয় শাসনব্যবস্থা রোহিত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র চর্চার ব্যবস্থা করলেন। স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে দিশেহারা জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনুপ্রেরণা পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধান ও একজন সফল রাষ্ট্রপতি হিসাবে ততক্ষণে তার পরিচিতি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। স্বপ্নের রাজপুত্র হিসেবে মানুষের মনের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে। এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে ভারত সরকার সেনাবাহিনী প্রধান এরশাদকে আমন্ত্রণ জানিয়ে হত্যার সব নীল নকশা তৈরি করে তাকে দেশে পাঠালেন।

১৯৮১ সালে ৩০ মে। সারা পৃথিবীর মধ্যে আলোকিত মানুষটি চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে শহীদ হলেন। যেন আকাশ থেকে একটি নক্ষত্র ঝরে পড়ল। জাতি শোকে দুঃখে মুহ্যমান হয়ে পড়ল । তিনি খাওয়া দাওয়া কম করতেন। বিলাসিতা পছন্দ করতেন না তার সততা ন্যায় পরায়ণতা দেশ প্রেম দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ জনগণের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ও ভালোবাসা সবই ছিল তার অলংকার। বাংলা মা হারালো তার শ্রেষ্ঠ সন্তান কে। রক্তাক্ত হলো অঙ্গহানি হলো বাংলা মায়ের।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মরণকালের জানা যায় শেরে বাংলা নগরে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। সমগ্র ঢাকা শহরে যে যেখানে ছিল রাস্তায় দাঁড়িয়ে জানাযার নামাজে শরিক হয়েছেন। তার প্রতি মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা আবেগ অনুভূতি আর কিশোর তারেক রহমানের বাবার মৃতদেহের পাশে বসে ক্রন্দন বেগম খালেদা জিয়ার বাকরুদ্ধ হতবিহব্বল নয়ন ভেজানো করুন মুখখানি কোটি কোটি মানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করেছে। এই দৃশ্য অবলোকন করে অনেকে মনের অজান্তে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েছিল। সেদিন আকাশও কেঁদেছিল বৃষ্টি ঝরে ছিল।

দেশনেত্রী গণতন্ত্রের মানস কন্যা আপোষহীন নেত্রী দীর্ঘদিন সততার সাথে দেশ চালালেও ফখরুদ্দিন মইনুদ্দিন চক্র নিষ্পাপ নির্দোষ কোটি মানুষের নয়ন মনি শহিদ রাষ্ট্রপতির তনয় তারেক জিয়ার উপর মধ্যযুগীয় বর্বরতায় তার শরীরকে ক্ষতবিক্ষত করেছিল। এ যেন বাংলা মায়ের উপর অযাচিত নির্যাতন। পেশাচিক চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটল সরকারের। আর পিছন থেকে নির্দয় ভাবে ছুরিকাঘাত করলেন জেনারেল মাসুদ উদ্দিন।

২০০৮ থেকে ২০২৪। বাংলাদেশে শুরু হলো এক রক্ত ঝরানোর অধ্যায়। হত্যা খুন গুম আয়না ঘর বিরোধীদলের নেতাদের উপর অমানুষিক নির্মম নিষ্ঠুর অত্যাচার। মানবতা বিসর্জন দিয়ে রক্তের হোলি খেলায় মেতে উঠেছিল ফ্যাসিস্ট সরকার। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে গুলির নির্দেশ দিয়ে নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে গিয়ে নিজের দেশের পুলিশ ভাইয়ের হাতে হাজারো ভাই শহীদ হলেন।

নিরীহ পথচারী কিশোর যুবক ছাত্র ঝুলন্ত অবস্থায়গুলি মেরে গাড়ি থেকে ফেলে দেওয়া হেলিকপ্টার থেকে গুলি এসব নিষ্ঠুরতা সারা বিশ্ব তাকিয়ে দেখেছে। বাংলা মায়ের সন্তানদের উপর জেনোসাইড। জাতিসংঘ প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে মৃত্যুর লৌহ মর্ষক ইতিহাস। হাজারো মায়ের বুক খালি হয়ে গেল। যারা এখনো সন্তানের জন্য স্বপ্ন দেখে দুঃস্বপ্নে ভোগে রাত কেটে যায় চোখের পানিতে। দুঃখ লাগে এত মানুষ শহীদ করেও এখনো তারা বিন্দুমাত্র অনুশোচনা বোধ করেন না। বাংলা মায়ের বুক ঝাঁঝরা হয়ে গেছে।পিচ ঢালা রাজপথ রক্তে রঞ্জিত হয়েছে।

বাংলা মা দীর্ঘদিন আই সি ইউ তে থাকা অবস্থায় ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস এর সেবায় দাঁড়িয়ে উঠলেও সর্বশেষ জনপ্রিয় ছাত্রনেতা থেকে বিপ্লবী নেতা জনাব নুরুল হক নুরকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত এবং নাকের হাড় ভেঙে দেয়া হয়েছে। মস্তিষ্কে রক্তকরন হয়েছে নাক দিয়ে রক্ত ঝরছে। পুলিশ সেনাবাহিনী এবং সিভিল ড্রেসে ব্যক্তিরা তাকে যেভাবে মেরেছে মধ্যযুগীয় বর্বরতা কে হার মানিয়েছে। বাংলা মায়ের শরীর রক্তে মাথা থেকে দেহ ভিজে পা পর্যন্ত গড়িয়ে গেছে। তাই বাংলা মা এখন শয্যাশায়ী।

বর্তমান সরকার যখন দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা জনগণের সামাজিক রাজনৈতিক অধিকার পূরণ এবং মানুষের জীবনমানের নিশ্চয়তা প্রদানে ব্যর্থ অর্থনৈতিক উন্নয়ন যখন চরম হুমকির মুখে তখন বাংলা মা প্রত্যাশা করে এক সাহসী দূরদর্শী ও যোগ্য নেতৃত্বের। যিনি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারবেন। রাষ্ট্রকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সক্ষম হবেন। এমনই একজন ব্যক্তি যিনি জুলাই বিপ্লবে সুচিন্তিত মতামত ও যুগান্তকারী দিকনির্দেশনা দিয়ে জুলাই আন্দোলনকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

তিনি হলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মাদার অফ ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরী বাংলাদেশের জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক কাল জয়ী নেতা তারুণ্যের অহংকার জনাব তারেক রহমান। তিনি হতে পারেন বাঙালি জাতির মুক্তির কান্ডারী পথের দিশারী বাংলাদেশের রাজনৈতিক অভিভাবক বাঙালি মাতার যোগ্য সন্তান নতুন প্রজন্মের আশা ও ভরসার প্রতীক। তার সততা কর্মদক্ষতা নেতৃত্বের গুণাবলী প্রখর মেধা রাজনৈতিক প্রজ্ঞা নিয়ে হতে পারেন সেই মহানায়ক। যিনি বাংলাদেশের সুখ-শান্তি স্থিতিশীলতা অগ্রগতি ও টেকসই উন্নয়নে দেশকে পরিচালিত করতে সক্ষম হবেন।

মো. আব্দুর রাজ্জাক

অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান

সমাজকর্ম বিভাগ।

মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ ঢাকা।

  • মতামত
  • বাংলাদেশ
এ সম্পর্কিত আরও খবর
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ উদ্ধার
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ উদ্ধার
ওমরাহ পালনে গিয়ে সৌদিতে আটকা ৪০ হাজার বাংলাদেশি
ওমরাহ পালনে গিয়ে সৌদিতে আটকা ৪০ হাজার বাংলাদেশি
সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ভারতে পাচারের শিকার ৩৩ বাংলাদেশি
সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ভারতে পাচারের শিকার ৩৩ বাংলাদেশি
প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী
প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী
আমাদের জানুন শর্তাবলী গোপনীয়তার নীতি যোগাযোগ বাংলা কনভার্টার আর্কাইভ

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।