দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমাতে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর এর কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। অর্থায়ন পাওয়া সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এটি চালু হলে রুটটিতে ট্রেনের গড় গতি বাড়বে এবং যাতায়াতের সময় কমে আসবে।
রেলপথের দূরত্ব কমাতে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত সরাসরি কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এ কর্ডলাইনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের দূরত্ব কমার পাশাপাশি ট্রেনের গড় গতিও বাড়বে।
এ ছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পুরো রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন। টঙ্গী-আখাউড়া অংশের প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নের কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে।
এমএম/