দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে জনপ্রশাসন উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতের শুরুতে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী উপদেষ্টাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে তাঁরা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। দুই দেশের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা এবং গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্কের পরিবর্তে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বর্তমান ভারতীয় হাইকমিশনারের দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন জনপ্রশাসন উপদেষ্টা।
সাক্ষাৎকালে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি ভারতে বাংলাদেশি ইলিশের ব্যাপক চাহিদার কথাও উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ভারতে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে তিনি দুই দেশের জনপ্রশাসনের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পুনরায় চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, উভয় দেশের জনগণের স্বার্থে সম্পর্ককে আরও সামনে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। এ সময় তিনি ভবিষ্যতে আবারও সাক্ষাতের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএস/