দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বা নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে আবারও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) গেজেট প্রকাশের কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা প্রকাশের সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। এতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, রোববার গেজেট প্রকাশ না হলেও চলতি সপ্তাহেই তা প্রকাশ করা হতে পারে। সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১০ সেপ্টেম্বরের কথা জানা যাচ্ছে। তবে নির্দিষ্ট তারিখ নির্ভর করছে বাকি থাকা প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া কত দ্রুত শেষ হয় তার ওপর।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে মূল বাধা কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নয়; বরং এর সঙ্গে যুক্ত ধারাবাহিক প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া। মন্ত্রিসভায় পে স্কেল অনুমোদনের পরই সরাসরি গেজেট প্রকাশ করা যায় না। এর আগে প্রজ্ঞাপনের খসড়া প্রস্তুত, সরকারি মুদ্রণ, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের যাচাই এবং আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন করতে হয়।
জানা গেছে, নবম জাতীয় পে স্কেলের রেজুলেশন ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) পাঠানো হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে রেজুলেশনটি আবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসবে। এরপর খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। ভেটিং শেষ হলে এসআরও নম্বর দিয়ে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।
অর্থাৎ, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হলেও গেজেট প্রকাশের আগে একাধিক দাপ্তরিক ধাপ সম্পন্ন করতে হয়। এসব প্রক্রিয়া শেষ করতেই নির্ধারিত সময়ের তুলনায় কিছুটা বেশি সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘রেজুলেশন বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। বিজি প্রেসের প্রক্রিয়া শেষে এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। সবশেষে এসআরও নম্বর দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে। আশা করছি, বাকি কাজ ও প্রক্রিয়া চলতি সপ্তাহেই হয়ে যাবে।’
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরও প্রজ্ঞাপন জারির আগে প্রশাসনিক ও আইনগত আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে হয়। এসব ধাপ সম্পন্ন করতেই প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা বেশি সময় লাগছে।
এমএম/