দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গুমের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের তদন্ত পুলিশের হাতে না রেখে সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণমুক্ত তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালন জাতীয় কমিটি’। একইসঙ্গে ‘আয়নাঘর’সহ সব গোপন আটককেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে জাতীয় সংসদের স্পিকার বরাবর দেওয়া এক স্মারকলিপিতে এসব দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে গত দেড় দশকে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সংঘটিত গুমের ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, বরং ‘ব্যবস্থাগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও রাজনৈতিকভাবে পরিচালিত অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত ‘গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন’-এ জমা পড়া ১ হাজার ৯১৩টি অভিযোগের মধ্যে ১ হাজার ৫৬৯টিকে গুম এবং ২৮৭টিকে নিখোঁজ ও মৃত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত এই তদন্তের পর এসব ঘটনার সত্য উদ্ঘাটন ও দায়ীদের বিচার কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিষয় নয়, এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও মানবিক দায়িত্ব।
বর্তমানে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’ প্রণয়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও এর কিছু মৌলিক ধারা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় কমিটি।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, গুমের অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের ওপর রাখা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
কেএম