দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, দুই দেশের রাজনৈতিক ইস্যু থাকলেও সাধারণ মানুষের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির স্বার্থে ব্যবসায়িক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, সাধারণ মানুষ চাকরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভালো সড়ক ও বিদ্যুৎ চায়। এসব নিশ্চিত করতে বাণিজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দুই দেশের সম্পর্কের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক—দুটি দিকই রয়েছে। গণতন্ত্রে রাজনৈতিক ইস্যু থাকবেই, তবে সাধারণ মানুষ উন্নয়ন চায়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সাধারণ মানুষ মেধাবী। দুই দেশের তরুণদেরও অনেক আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তাদের সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া দুই দেশেরই দায়িত্ব।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘ইন্টারডিপেন্ডেন্সি’ বা পারস্পরিক নির্ভরশীলতাই স্থায়ী সমাধানের পথ। উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ ভারতের ওপর এবং ভারত বাংলাদেশের ওপর নির্ভর করবে। এই পারস্পরিক নির্ভরতা দুই দেশের মধ্যে পরিবারের মতো সম্পর্ক তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেন, অর্থনীতি ও রাজনীতি দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। তবে সাধারণ মানুষের চাওয়া খুব বেশি নয়, তারা শান্তি চায়। শান্তি থাকলে সমৃদ্ধি আসে। দুই দেশের দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকে শান্তি ও সমৃদ্ধি দেওয়া। সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দুই দেশের বৃহৎ তরুণ জনগোষ্ঠীর বিষয়টি বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে পোশাক খাতে উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন দীনেশ ত্রিবেদী।
তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা ব্যবসায়িক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাই, রাজনীতি তার নিজের পথে চলবে।’ সাধারণ মানুষের প্রাপ্য নিশ্চিত করা দুই দেশের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। কেউ বড় বা ছোট নয়, সবাই সমান। এই সমতার ভিত্তিতেই দুই দেশকে এগিয়ে যেতে হবে।
এমএম/